Surprising Benefits of Exercise

Physical Exercise Is Going To Boost Your Cardiovascular Health.

Keeping Smile!

When someone is rude, keep a smile on your face. When you stay on the right road and keep your joy, you take away their power.

Yoga postures to relieve menstrual cramps

Many women suffer abdominal cramps during their menstrual cycles. At times, the cramps are combined with shooting or burning sensations in the lower abdomen. Nausea is also common during periods in females.

Health Benefits of Running

The health benefits of running include weight loss, a youthful appearance, prevention of muscle and bone loss, growth hormone enhancement, the prevention of stroke, diabetes, and hypertension. It also lowers high cholesterol level, improves blood clotting, boosts the immune system, reduces stress, and enhances mood.

Showing posts with label চোখের সমস্যা. Show all posts
Showing posts with label চোখের সমস্যা. Show all posts

Saturday, July 19, 2014

চোখের পাতা কেন লাফায়?

চোখের পাতা কেন লাফায়, জানেন কিছুএটা ৭টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ!


ডান চোখের পাতা লাফালে নাকি সুসংবাদ আসে, আর বাম চোখেরটা লাফানো খারাপ’ - এমনটাই হয়তো শুনে এসেছেন দাদী-নানীর মুখেকিন্তু প্রকৃত অর্থে এমনটা কখনোই নয়আর চোখের পাতা লাফানোর সময় আপনি হয়তো ভাবেন আপনার সামনের কেউ সেটা দেখতে পাচ্ছে - আদতে চোখের পাতা এতো দ্রুত লাফায় যে সেটা কেউ বুঝতেই পারে না আপনি ছাড়া

চোখের পাতা লাফানোর এই রোগটির নাম ডাক্তারী ভাষায় Myokymiaপেশীর সংকোচনের কারণেই চোখের পাতা লাফায়দুই একবার হঠাৎ চোখের পাতা লাফালে চিন্তার কিছু নেইকিন্তু সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয় এবং আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিতকেননা তা হতে আসলে ৭টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ

চোখের পাতা কী কী কারণে লাফায় আসুন তা জেনে নেই
 মানসিক চাপঃ
আমরা যখন কঠিন মানসিক চাপের ভেতর দিয়ে যাই তখন শরীর বিভিন্ন উপায়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখায়চোখের পাতা লাফানো মানসিক চাপের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে

 ক্লান্তিঃ
পরিমিত ঘুমের অভাব বা অন্য কোন কারণে ক্লান্তি থেকেও চোখের পাতা লাফানো শুরু হতে পারেঘুমের অভাবে চোখের পাতা লাফালে পরিমিত ঘুম হলেই সেরে যাবে

 দৃষ্টি সমস্যাঃ
দৃষ্টিগত কোন সমস্যা থাকলে চোখের উপর চাপ পড়তে পারেটিভি, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের স্ক্রীনের আলোও চোখের দৃষ্টিতে প্রভাব ফেলতে পারেআর এই সব সমস্যা থেকে চোখের পাতা লাফানো উপসর্গ দেখা দিতে পারে

 ক্যাফিন এবং এ্যালকোহলঃ
অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন ক্যাফিন এবং এ্যালকোহল অতিরিক্ত সেবনে চোখের পাতা লাফাতে পারেতাই ক্যাফিন এবং এ্যালকোহলের ব্যবহার মাত্রা কমিয়ে এনে এ সমস্যা থেকে উদ্ধার পাওয়া সম্ভব

 চোখের শুষ্কতাঃ
কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে, অতিরিক্ত এ্যালকোহলের প্রভাবে, চোখে কন্ট্যাক্ট ল্যান্স ঠিকমতো না বসলে কিংবা বয়সজনিত কারণে চোখ শুকিয়ে যেতে পারেচোখের শুষ্কতা চোখের পাতা লাফানোর জন্য দায়ী বলে চক্ষু চিকিৎসকরা মনে করেন

 পুষ্টির ভারসাম্যহীনতাঃ
কিছু কিছু প্রতিবেদনে পুষ্টির ভারসাম্যহীনতাকে চোখের পাতা লাফানোর একটি কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছেবিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব জনিত কারণে এমনটি হতে পারে বলে দাবী করা হয়েছে

 এলার্জিঃ
যাদের চোখে এলার্জি আছে, তারা চোখ চুলকায় বা হাত দিয়ে ঘষে; ফলে চোখ থেকে পানির সাথে কিছুটা হিস্টামিনও নির্গত হয়ধারণা করা হয় হিস্টামিন চোখের পাতা লাফানোর জন্য দায়ী

চোখের পাতা লাফানোর উপর ভালো বা মন্দ সংবাদের কোনটিই জড়িত না থাকলেও যদি মাত্রাতিরিক্ত চোখের পাতা লাফায় তবে সেটি আপনাকে মন্দ সংবাদই দেবে যে - আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবেআর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠলে সেটা অবশ্যই হবে সুসংবাদসুস্থ থাকুন

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য ধন্যবাদ।]

Sunday, April 13, 2014

চোখের যত্নে প্রয়োজনীয় কিছু টিপস!

চোখ আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। চোখের মূল্য যারা অন্ধ তারা খুব ভালো করেই বুঝতে পারেন। কিন্তু আমরা যারা বেশ ভালো ভাবে দেখতে পাই তারা বেশিভাগ সময়েই চোখের যত্ন নেই না। অবহেলা করি অনেক ক্ষেত্রে। কিন্তু এই কাজটি একেবারেই উচিৎ নয়। আমাদের চোখের যত্নে অনেক বেশি সচেতন হওয়া জরুরী।


চলুন তবে দেখে নেয়া যাক চোখের যত্নে জরুরী দৈনন্দিন কিছু টিপসঃ
✬  চোখকে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সব সময় সাথে রাখুন সানগ্লাস। বিশেষ করে এই মৌসুমে। যারা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই বাইরে বেরুলে সানগ্লাস পরবেন।
✬  যারা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন তারা ঘরে এসেই প্রথমে লেন্স খুলে ফেলবেন। যতোটা কম পারা যায় কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করুন। চশমা ব্যবহারে আগ্রহী হোন।
✬  ৩ বেলা চোখে পানির ঝাপটা দেয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে বাইরে থেকে ঘরে ফিরে চোখ ভালো করে ধুয়ে ফেলবেন। এতে বাইরের ধুলো বালিতে মিশে থাকা রোগজীবাণু দূর হবে।
✬  প্রতিদিন অন্তত ১ বার চোখের ওপরে ঠাণ্ডা পানি ভেজানো কাপড় ১০-১৫ মিনিট দিয়ে রাখবেন। এতে চোখের কর্নিয়া সুস্থ থাকবে।
✬  সম্ভব হলে চোখে কাজল দেয়া থেকে বিরত থাকুন। গরম কালে কাজল গলে চোখের ভেতরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায় যা চোখের জন্য অনেক ক্ষতিকর।
✬  মেয়েরা ঘরে ঢোকা মাত্র চোখের মেকআপ তুলে ফেলবেন। বেশি জোরে ঘষে চোখের মেকআপ তুলবেন না। নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সাহায্য আলতো করে চোখের মেকআপ তুলুন।
✬  ঘুমানোর আগে চোখে ভালো কোনো ব্র্যান্ডের এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চোখের ক্রিম বা সেরাম অথবা জেল ব্যবহার করুন।
✬  চোখের যে কোনো সমস্যায় অবহেলা না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

যারা বেশি মানসিক পরিশ্রম করেন, অনিয়মের মধ্য দিয়ে দিন কাটান, অনিদ্রা কিংবা রক্ত স্বল্পতায় ভোগেন তারাই চোখের নিচে কালি বা চোখের চারধারে বলিরেখা এই সমস্যায় আক্রান্ত হন।

এই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পেতেঃ-
✬  আলু কিংবা শসার টুকরো চোখের ওপর দিয়ে ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন। ক্লান্তি কাটবে। চোখের তলায় কালি থাকলে দূর হবে।
✬  যখন তখন চোখে হাত দিবেন না ও অযথা চোখ ঘষবেন না। ময়লা থেকে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঘষাঘষিতে চোখের নরম ত্বকে বলিরেখা পড়ে।
✬  তুলসি পাতাবাটা ও চন্দনবাটা গোলাপ পানি দিয়ে মিশিয়ে চোখে লাগান।
✬  ঠান্ডা টি-ব্যাগ চোখের পক্ষে আরামদায়ক।
✬  ভিটামিন এ এবং ডি যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। গাজর, বিট, পেঁপে, ইত্যাদি পুষ্টিকর শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
✬  সাজগোজের সময় ভালো ব্র্যান্ডের মেকআপ ব্যবহার করা উচিত। এভাবে রূপচর্চা চালিয়ে গেলে গরমেও আপনার ত্বক থাকবে সুন্দর।

চোখের যত্নে দরকার পুষ্টিকর খাবার কোন ধরনের খাবার কেন প্রয়োজনঃ
✬  ভিটামিন-এ হলো চোখের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। ভিটামিন-এ চোখের বিভিন্ন অংশের আবরণকে রক্ষা করে। এর অভাবে চোখ শুষ্ক হয়ে যায়। চোখের কালো রাজায় ঘা হয় এবং পরে চোখ নষ্ট হয়ে যায়।
✬  ভিটামিন-এর সঙ্গে ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন-ইর প্রয়োজনীয়তা আজ প্রমাণিত। এদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বলা হয়। এসব ভিটামিন বয়সজনিত চোখের দৃষ্টিক্ষয় অনেকাংশে রোধ করে।
✬  প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাদ্যের অভাবে চোখের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়, ফলে চোখ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়।
✬  গ্রামাঞ্চলে অনেক শিশুই ভিটামিন-এর অভাবজনিত অন্ধত্বে ভুগছে। এ ছাড়া ভিটামিন-এর অভাবে চোখের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ রেটিনা নষ্ট হয়ে যায় বলে প্রথমে রাতকানা ও পরে শিশু স্থায়ীভাবে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

কী করবেন?
✬  ভিটামিন-এর অভাব জনিত চোখের রোগ শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। শিশুর জন্মের পর মায়ের দুধই তার জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার। মায়ের দুধে প্রয়োজনীয় সব খাদ্য-উপাদান থাকে বলে ভিটামিন-এর অভাবজনিত অন্ধত্ব এসব শিশুর অনেক কম হয়।
✬  ছোটবেলা থেকেই শিশুকে সুষম খাদ্যে অভ্যস্ত করতে হবে।
✬  ছোট মাছ, পাকা ফল, শাকসবজিতে প্রচুর ভিটামিন রয়েছে। শিশুকে এসব খাবারে অভ্যস্ত হতে হবে।
✬  জ্বর ও পাতলা পায়খানা হলে প্রয়োজনীয় খাবার স্যালাইন ও সুষম খাদ্য দেওয়া প্রয়োজন, যেন শরীরে ভিটামিন ও লবণের ঘাটতি না হয়।
✬  শিশু রাতে ঝাপসা দেখলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
✬  চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন-এ সময় মতো খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা যায়। সবচেয়ে বড় কথা, ভিটামিন-এর অভাবজনিত অন্ধত্ব শুধু সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমেই প্রতিরোধ করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন প্রচার ও জনসচেতনতা।

                            [আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।]

Friday, December 13, 2013

চোখ দিয়ে পানি পড়া!

সুন্দর সুস্থ চোখ কার না কাম্য? কিন্তু সেই চোখ হতে কান্না ব্যতিত অনবরত পানি পড়তে থাকলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। 




চোখ দিয়ে পানি পড়ার কারণঃ

স্বাভাবিক চোখ সবসময় একটু ভেজা থাকে। অতিরিক্ত পানি চোখের ভেতরের কোনায় অবস্থিত নল (নেত্রনালী) দিয়ে নাকে চলে যায় এবং শোষিত হয়। কোন কারণে চোখে অতিরিক্ত পানি তৈরী হলে, অথবা নেত্রনালী বন্ধ হয়ে গেলে চোখের পানি উপচে পড়ে, একে লেক্রিমেশন বা এপিফোরা বলে।


শিশুর জন্মের পর পর যদি নেত্রনালী বন্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে চোখ হতে পানি পড়তে পারে। এক্ষেত্রে সাধারণত: এক বছরের মধ্যে আপনি আপনিই নেত্রনালী খুলে গিয়ে পানি পড়া ভাল হয়ে যায়।


তরুণ বয়সে নেত্রনালীর প্রদাহজনিত কারণে নেত্রনালী সরু হয়ে চোখ হতে পানি পড়তে পারে। এইক্ষেত্রে নেত্রনালীতে ইনফেকশন হয়ে পূঁজ জমতে পারে। চোখের ভেতরের কোনায় চাপ দিলে পানি ও পূঁজ বের হতে পারে।


বয়স্ক লোকের নেত্রনালী বয়সজনীত পরিবর্তনের কারণে সরু হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও বয়সের কারণে চোখের চারদিকের মাংশপেশী দূর্বল হবার কারণেও নেত্রনালী অকার্যকর হয়ে চোখ হতে পানি পড়তে পারে।


এছাড়াও নেত্রনালীর সমস্যা ছাড়াও চোখের এ্যালার্জী, চোখ ওঠা রোগ, গ্লুকোমা, কর্ণিয়ার ঘা, চোখের আঘাত ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে যে কোন বয়স চোখ দিয়ে পানি পড়তে পারে।


অতিরিক্ত সর্দি হলে নাকের প্রদাহের কারণে নেত্রনালীর ছিদ্র মুখ বন্ধ হয়ে চোখ হতে পানি পড়তে পারে।


করণীয়ঃ 

শিশুদের ক্ষেত্রে নেত্রনালীর সমস্যার কারণে চোখ হতে পানি পড়লে ডাক্তারের পরামর্শে চোখের কোনায় মালিশ এবং এন্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহারে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে পানি পড়া বন্ধ হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রোবিং সার্জারীর মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হয়। তরুণ বয়সে নেত্রনালীর সমস্যার কারণে চোখ হতে পানি পড়লে নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক ড্রপ, কোন কোন ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক / স্টেরইড এর মিশ্রন ব্যবহার করলে এ সমস্যা অনেকাংশে লাঘব হয়।


চোখে জমে থাকা পূঁজ চোখের কোনায় চাপ দিয়ে নিয়মিত পরিস্কার করা প্রয়োজন। ওষুধে ভাল না হলে 'ডিসিআর' অপারেশনের মাধ্যমে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এ সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান সম্ভব।


বেশী বয়স্কদের নেত্রনালী সংকুচিত হওয়ার কারণে ডিসিআর অপারেশন করা সম্ভব হয়না। সেক্ষেত্রে ডিসিটি অপারেশন করা হয়। এক্ষেত্রে পূঁজ জমা বন্ধ হয়, কিন্তু পানি পড়া বন্ধ হয়না। যে সব বয়স্ক লোকের ছানিরোগ আছে, আবার তাদের যদি নেত্রনালীর সমস্যার কারণে চোখ হতে পানি ও পূঁজ পড়ে, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ছানি অপারেশনের পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শে বয়স ভেদে ডিসিআর অথবা ডিসিটি অপারেশন করতে হবে, না হলে চোখের কোনায় জমে থাকা জীবানু ছানি অপারেশনের সময় চোখের ভেতরে ঢুকে মারাত্মক ইনফেকশন করতে পারে।


নেত্রনালী সমস্যা ব্যতিত অন্য কারণে পানি পড়লে সে কারণ চিহ্নিত করে ডাক্তারের পরামর্শে তার চিকিত্সা করাতে হবে। বর্তমানে লেজার রশ্নির সাহায্যে চামড়া না কেটে অল্পসময়ে ডিসিআর অপারেশন করা সম্ভব, ফলে অপারেশনের পরে চামড়ায় দাগ পড়েনা।


আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

Friday, November 15, 2013

চোখের জ্বালাপোড়ায় অবশ্য কর্তব্য!

মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ ইন্দ্রিয়গুলোর অন্যতম চোখ। দেহের যত্নের পাশাপাশি চোখের যত্নের একান্ত প্রয়োজন  থাকলেও সে কথা আমরা অনেকেই সব সময় মনে রাখি না।


যেসব কারনে চোখের জ্বালাপোড়া হতে পারেঃ
*) চোখের পানি শুকিয়ে গেলে
*) চোখের অ্যালার্জি
*) বাতরোগ
*) চোখের পাপড়ির গোড়ায় প্রদাহ থাকলে
*) চোখের অপারেশন হলে
*) ঘুমের সময় চোখ বন্ধ না হওয়া
*) চোখের কালো মণিতে ভাইরাস সংক্রামণ হলে
*) কালো ধোঁয়া, ধুলোবালি চোখে পড়লে
*) চোখে রাসায়নিক পড়লে। যেমন—চুন, এসিড ইত্যাদি
*) চোখে ওষুধের রিঅ্যাকশন হলে (স্টিভেন জনসন সিনড্রোম)
*) চোখের ড্রপ ব্যবহারেও প্রাথমিক অবস্থায় চোখ জ্বলতে পারে

আপনাকে যা করতে হবেঃ
*) রাস্তাঘাটের কালো ধোঁয়া ও ধুলোবালি থেকে চোখ রক্ষা করার জন্য সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
*) চোখের পানি কমে গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চোখে কৃত্রিম চোখের পানি ড্রপ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
*) পানি শুকিয়ে যাওয়ার যেসব কারণ যেমন—বাতরোগ, শোগ্রেন সিনড্রোম ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা করাতে হবে।
*) সালফার-জাতীয় ওষুধে যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের তা বর্জন করতে হবে।
*) চিকিৎসকের পরামর্শে চোখের অ্যালার্জি এবং কর্নিয়ায় ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা করাতে হবে।
*) চোখ বেশিক্ষণ বন্ধ রাখলে অনেক ক্ষেত্রে চোখের জ্বালা কমে। সে জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন।
*) চোখে কেমিক্যাল পড়লে সঙ্গে সঙ্গে চোখে বেশি করে পানি দিয়ে অনেক সময় ধরে ধুয়ে ফেলুন।
*) চোখে ড্রপ দেওয়ার কারণে চোখ জ্বললে ভয় পাবেন না। আস্তে আস্তে কমে যাবে। এক্ষেত্রে আপনার স্থিরতাই হতে পারে ভালো সমাধান।

নজর রাখুন সাস্থ্যের প্রতি, এতে লাভ আপনারই, আগে জেনে না থাকলে কষ্ট করে একটু ধন্যবাদ দিয়েন। দোয়া করি আপনার জীবনের সম্ভাব্য সব সমস্যার সমাধান হোক । ভালো থাকবেন।

আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

Sunday, November 3, 2013

চোখে কোনো কিছু পড়া !

কোনো কিছু চোখের দিকে এগিয়ে আসার সময় চোখের পাতা খুব দ্রুত বন্ধ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও আমাদের চোখে অনেক ধরনের ছোটোখাটো পদার্থ প্রবেশ করতে পারে। 


মূলত ধুলোকনা, কীট পতঙ্গ, ছোট ইট পাথর বা কাঠের টুকরা থেকে শুরু করে সুই, বাশ,ছোটো খেলার বল নানা কিছু আছে এই তালিকায়। এসব কে এক কথায় ফরেন বডি (Foreign body) বলা হয়। এসবের কারনে আমাদের চোখে প্রথমে খচখচে একটা অনুভুতি হয় যা বেশ পীড়া দায়ক। দ্রুত বের করে নেয়া না হলে এসব ফরেন বডি কর্নিয়ায় ঘষা লেগে চোখের প্রভুত ক্ষতি করতে পারে, ক্ষতির এক পর্যায়ে চোখ অন্ধ হয়ে যাওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

অনেক সময় এসব ফরেন বডি এতো ছোট হয় যে খালি চোখে এদের দেখাও যায়না, তাই চোখে কোনো কিছু পড়ার পরে যখন খচখচ করার মতঅনুভুতি হয়, চোখ দিয়ে অবিরত পানি পড়ে, তাকালে চোখ জ্বালা করে এবং চোখ বন্ধ রাখলে আরাম হয়, চোখ লাল হয়ে যায় তখন ধরে নিতে হবেচোখের পাতা এবং কর্নিয়া বা স্ক্লেরার মাঝে কোনো ফরেন বডি আটকে আছে।

এমন অনুভুতি হলে সবাই, বিশেষ করে বাচ্চারা খুব ঘন ঘন চোখ কচকাতে বা চুলকাতে থাকে, এমন কাজটি একেবারেই করা যাবেনা। দেখা যায় এমন সহজ কিছু পড়ে থাকলে কটন বাড (Cotton bud) বা তুলো একটু পেচিয়ে অন্যের সাহায্য নিয়ে আলতো করে বের করে আনার চেষ্টা করতে হবে। বের করে আনা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেত্তয়া উত্তম।

ফরেন বডি বের করা না গেলে বা চোখে ফুটো হয়ে গেলে বা ক্ষতিকর কিছু পড়লে দ্রুত চক্ষু হাসপাতালে অথবা চক্ষু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।

Saturday, November 2, 2013

চোখ ওঠা বা কনজাঙ্কটিভাইটিস

আমরা আশেপাশে যে কনজাঙ্কটিভাইটিস এর রোগীদের দেখে থাকি সেটা সচরাচর ভাইরাসের আক্রমনে হয় তবে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, এলার্জী বা আঘাত পাবার কারনেও এ রোগ হতে পারে। যেকোনো বয়সের নারী পুরুষের এ রোগটি যেকোনো সময় হতে পারে তবে অপরিস্কার বা নোংরা জীবন যাপন পদ্ধতি এরোগ হতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।


চোখ ওঠা রোগে যে চোখ লাল হয়ে যায় এটা কিন্ত সবাই জানেন আর এমনটি হয় এই কনজাঙ্কটিভার রক্তনালীগুলো প্রদাহর কারনে ফুলে বড় হয়ে যাওয়া এবং তাতে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যাবার কারনে। ঘুম থেকে উঠলে চোখ আঠা আঠা লাগা, সব সময় চোখের ভেতর কিছু একটা পড়েছে এমন অনুভূতি, চোখ চুলকানো এবং জ্বালাপোড়া করা, আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি লাগা, সবকিছু ঘোলা ঘোলা দেখা, চোখ দিয়ে পানি পরা, চোখের কোনায় ময়লা (যা কেতুর নামে প্রচলিত) জমা, চোখ ফুলে যাওয়া ইত্যাদি সব ই রোগের লক্ষন।

চোখ ওঠা বা কনজাংকটিভাইটিস রোগ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, অ্যালার্জিসহ বেশ কয়েকটি কারণে হতে পারে। ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসজনিত কারণে হওয়া চোখ ওঠা রোগ বড়ই ছোঁয়াচে।
সরাসরি হাতের স্পর্শ, ফোমাইট, বাতাস, এমনকি হাত-মুখ ধোয়া ও অজু-গোসলের সময় পুকুর, নদী বা সুইমিংপুলের পানির মাধ্যমেও জীবাণুগুলো ছড়াতে পারে। কনজাংকটিভাইটিসে আক্রান্ত চোখে আঙুল বা হাত লাগালে হাতে লেগে থাকা জীবাণু রুমাল, তোয়ালে, গামছা, টিস্যু পেপার, কলম, পেনসিল, বইয়ের পাতা, খাতা, টেবিল, চেয়ার, দরজার সিটকিনি, কলের ট্যাপ ইত্যাদিতে লেগে থাকতে পারে। এগুলোকে তখন চিকিৎসার পরিভাষায় বলে ফোমাইট। রুমাল, তোয়ালে, গামছা, টিস্যু পেপার দিয়ে আক্রান্ত চোখ মুছলেও এগুলোতে জীবাণু লেগে থাকবে। এসব ফোমাইটের মাধ্যমেও জীবাণু ছড়িয়ে যেতে পারে অন্যের চোখে। এবং এসব কারণে একজনের চোখ ওঠা রোগ হলে তা মহামারি আকারে অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। শিশু বা বৃদ্ধ কেউই বাদ যায় না। তবে স্কুল বা অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অনেকে একসঙ্গে থাকে বলে তাদের একজনের কনজাংকটিভাইটিস হলে অন্যদের মধ্যে রোগটা ছড়িয়ে পড়ে খুব দ্রুত।
ব্যাকটেরিয়াজনিত কারণে হলে চোখ ওঠার লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে শুরু করে সাত-আট দিন বা চিকিৎসা শুরু করার দু-তিন দিন পর্যন্ত এ রোগ অন্যজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এটাকে বলে সংক্রমণের সময়কাল। আর ভাইরাসজনিত কারণে হলে রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগে থেকে শুরু করে লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার সাত থেকে ১০ দিন পর পর্যন্ত ভাইরাসগুলো অন্যদের মধ্যে ছড়াতে পারে। জীবাণু ঢোকার পাঁচ-সাত দিন পর চোখ ওঠার লক্ষণ প্রকাশ পায়। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া কনজাংকটিভাইটিস যদিও তেমন কঠিন রোগ নয়, সাত থেকে ১০ দিনে ভালো হয়ে যায়, তবু এ রোগটি একেবারে কম কষ্টকর নয়।
চোখ ওঠা বা কনজাংকটিভাইটিস প্রতিরোধের উপায় আছে। সাবান দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোয়া প্রতিরোধের খুব একটা ভালো উপায়। যার চোখ উঠেছে, সেও যেমন ঘন ঘন হাত ধোবে; যার হয়নি, রোগীর সংস্পর্শে আসা এমন সুস্থ লোকেরও তেমনি ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিতে হবে। রোগীর ব্যবহূত রুমাল, তোয়ালে, গামছা, টিস্যু পেপার, চোখের ড্রপ, চোখের কসমেটিকস ইত্যাদি অন্যে ব্যবহার না করার মাধ্যমেও রোগটি প্রতিরোধ করা যাবে অনেকাংশে। আর রোগীর ব্যবহূত রুমাল, তোয়ালে, গামছা ইত্যাদি ধুয়ে ফেলতে হবে তাৎক্ষণিকভাবে। টিস্যু পেপার ফেলে দিতে হবে নিরাপদ স্থানে। রোগী বা সুস্থ সবারই চোখে হাত বা আঙুল না লাগানো অথবা চোখ না কচলানো—এসব অভ্যাসও প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবে বেশ। চোখ ওঠা চোখে ভুলে আঙুল দিলে বা কচলালে সঙ্গে সঙ্গেই হাত ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। তাতে বিভিন্ন বস্তুতে রোগজীবাণু লেগে যাওয়ার আশঙ্কা কমে, কোনো বস্তুকে ফোমাইটে রূপান্তর করার আশঙ্কা কমে।
প্রথমে এক চোখে হয় এরপর তা অন্য চোখে ছড়িয়ে পরে এজন্য অন্য চোখটিকে সংক্রমিত হতে না দেয়া চিকিতসার একটি উদ্দেশ্য। এজন্য রোগিকে অসুস্থ চোখের পাশে কাত হয়ে শুতে বলা হয়।
আর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিশেষজ্ঞের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াটাও জরুরি, রোগের কারন কি এবং এখন কি করনিয়। অপচিকিৎসা করা হলে রোগটি জটিল আকার ধারন করে চোখের ব্যপক ক্ষতি করতে পারে।

আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য