Surprising Benefits of Exercise

Physical Exercise Is Going To Boost Your Cardiovascular Health.

Keeping Smile!

When someone is rude, keep a smile on your face. When you stay on the right road and keep your joy, you take away their power.

Yoga postures to relieve menstrual cramps

Many women suffer abdominal cramps during their menstrual cycles. At times, the cramps are combined with shooting or burning sensations in the lower abdomen. Nausea is also common during periods in females.

Health Benefits of Running

The health benefits of running include weight loss, a youthful appearance, prevention of muscle and bone loss, growth hormone enhancement, the prevention of stroke, diabetes, and hypertension. It also lowers high cholesterol level, improves blood clotting, boosts the immune system, reduces stress, and enhances mood.

Showing posts with label মস্তিষ্কের সমস্যা. Show all posts
Showing posts with label মস্তিষ্কের সমস্যা. Show all posts

Wednesday, September 17, 2014

মাইগ্রেন সমস্যা ???

মাথা ব্যথা নামের এই যন্ত্রনাটি সবার মধ্যেই এক ধরনের বিরক্তি তৈরী করে থাকে। বিশেষ করে হুটহাট করে যেই ব্যথাটি হয়ে থাকে


যেমন সকালে ঘুম থেকে উঠে হয়ত দেখলেন যে প্রচন্ড মাথা ব্যথা করছে এবং মাথায় চাপ ধরে আছে অথবা কাজ করতে করতে হঠাৎ করে শুরু হয়ে যায় এই অলুক্ষুনে ব্যাথা বিশেষ করে মাথার এক পাশে ও হঠাৎ করে যেই ব্যথা গুলো হয়ে থাকে এদের মাইগ্রেন এর ব্যথা বলে

যদি আপনার মাথায় এক পাশে ব্যথা শুরু হয়ে ব্যথা আস্তে আস্তে সম্পুর্ন মাথায় ছড়িয়ে পরে, মাঝে মাঝে ব্যথার সাথে বমি বমি ভাব হয়, শারীরিক দুর্বলতা অনুভুত হয়, চোখে ঝাপসা দেখা শুরু করেন তাহলে এটি মাইগ্রেন এর ই লক্ষন

কখনো কখনো এই ব্যাথা অনেকক্ষণ স্থায়ী হয় আবার কখনো কখনো ৩ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যে কমে যায় এটি বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে, কারো বংশগত, আবার কারো মানসিক চাপ থেকেও হতে পারে

আসুন জেনে নেওয়া যাক মাইগ্রেনের ব্যাথা শুরু হওয়ার কিছু কারন এবং এর কিছু প্রতিকারঃ

অনেকে কাজের চাপে খাওয়া দাওয়া ঘুম সব বাদ দিয়ে শুধু কাজ নিয়ে পড়ে থাকেঅনেক সময় অতিরিক্ত কাজের চাপে মাইগ্রেন এর ম্যাথা অনেক বেড়ে যেতে পারে। কারন মানসিক চাপ বেশী পড়লে এটি স্নায়ু ও মস্তিস্ক দুটোর উপরই অনেক চাপ ফেলতে পারে

এতে শুধু মাইগ্রেনই নয় হার্ট এটার্ক পর্যন্ত হতে পারেতাই কাজ অথবা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে খুব বেশি মানসিক চাপে থাকলে সেটা কারো সাথে শেয়ার করুন এবং অতিরিক্ত চাপ নেওয়া থেকে বিরত থাকুন

প্রতিদিন হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করুন এবং লেবু চা খাওয়ার অভ্যাস করুনএটা মানসিক চাপ কমাতে অনেকটা সাহায্য করে

অপর্যাপ্ত ঘুম অথবা প্রয়োজনের বেশী সময় ধরে ঘুম মাইগ্রেনের ব্যাথার অন্যতম কারন হতে পারে অনেকেই রাত জেগে ফেসবুকিং অথবা কাজ করে এবং সকালে অনেকক্ষণ ঘুমিয়ে থাকেএটা কখনোই ঠিক নয়কারন প্রতিদিন একজন সুস্থ মানুষের কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত

এর বেশী ঘুমালে অথবা বেলা করে শুয়ে থাকলে ব্যথা হতে পারেতাই যাদের মাইগ্রেন এর সমস্যা আছে তাদের কখনো বেলা করে ঘুমানো উচিত নয়

মাইগ্রেন এর ব্যাথা যাদের আছে তাদের কখনো খালি পেটে থাকা উচিত নয় অনেকে ওজন কমানোর জন্য সকালে নাস্তা করে নাকিন্তু এটা কখনোই উচিত নয়। কারন সকালের নাস্তা না করলে ব্যাথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে

তাই প্রতিদিন পেট ভরে সকালের নাস্তা করুন এবং প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন

অনেক সময় মাইগ্রেন এর ব্যাথা হলে কফি খেলে ব্যাথা অনেক কমে যায়আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যাথা বেড়ে যায়এর কারন হচ্ছে যারা প্রতিদিন অতিরিক্ত কফি খেতে অভ্যস্ত তারা কফি খেলে একটু পর শরীর থেকে ক্যাফেইন এর পরিমান কমে যেতে থাকে এ থেকেও মাইগ্রেন এর ব্যথা হতে পারেতাই অতিরিক্ত চা কফি গ্রহন থেকে বিরত থাকুন

উচ্চ শব্দে মিউজিক মাইগ্রেন এর ব্যাথার একটা অন্যতম কারন হতে পারেঅনেক সময় বাসে অনেকক্ষন বসে থাকতে থাকতে গাড়ির হর্ন এর শব্দ, উচ্চ শব্দে মিউজিক এর কারনে মাইগ্রেন এর ব্যাথা হতে পারে তাই যাদের মাইগ্রেন এর সমস্যা আছে তারা উচ্চ শব্দে গান শোনা এড়িয়ে চলুন

আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্যধন্যবাদ

Wednesday, July 30, 2014

শক্তিশালী ব্রেইনের জন্য!

ব্রেইন আমাদের দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকিন্তু কখনো কি আমরা ব্রেইনের যত্ন নেয়ার কথা ভেবেছি! শুধু অভিযোগ করে যাই "আমার মাথা ঠিকমত কাজ করছে না বা আজকাল আমার কিছুই মনে থাকে না!" অন্যান্য অঙ্গের মত ব্রেইনেরও খাবার, পুষ্টি ও এর্নাজী দরকার। টোটাল বডি এর্নাজীর ২০% ব্রেইন ব্যবহার করে। তাই আমাদের দৈনিক খাবার মেনু এমন হওয়া উচিত,যেন তা ব্রেইনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও এর্নাজী সরবরাহ করতে পারে


যে খাবারগুলো রাখতে হবে ডায়েট চার্টেঃ

১. স্বাস্থ্যকর ফ্যাট- যা ব্রেইন গঠন করবেঃ
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হল ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা ব্রেইনের মেরামত ও নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে। এছাড়া এগুলো আপনাকে নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী করে এবং মানসিক ভাবে ভাল অনুভব করায়। oleic acid ব্রেইনকে ক্ষীপ্র করে। Olive oil, peanut oil থেকে oleic acid পাওয়া যায়

২. Antioxidants- যা ব্রেইনকে সুরক্ষা দেয়ঃ
খাবারে Antioxidants এর অভাব থাকলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে। তাই Antioxidants সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিতে হবেAntioxidants এর ভাল উৎস হল-সবুজ চা, ব্লুবেরী ও অন্যান্য বেরী জাতীয় ফল, লাল আঙ্গুর, টমেটোগাজর,রসুনপালং শাক, whole grains ও সয়া দ্রব্য

৩. ভিটামিন ও মিনারেলস- ব্রেইনের গঠনকারী ইটঃ
সুনির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও মিনারেলস ব্রেইনের গঠনে খুবই প্রয়োজন। ব্রেইনের কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হল- Vitamins C, B12, and B6 মিনারেলসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল-ক্যালসিয়াম ও আয়রন। এসব ভিটামিন ও মিনারেলস নিয়মিত খেতে হবে

৪. আশঁ - যা ফুয়েল সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করেঃ
ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারেরক্তে এই গ্লুকোজের সরবরাহ ধীর ও নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে আশঁ জাতীয় খাবারভাল পরিমানে আশঁ পাওয়া যাবেঃ শুষ্ক ফল (কিছমিছ, খেজুরকালো কিছমিছ), বিভিন্ন রকমের শাকসবজিআস্ত ফল (যেমন-আপেলকমলানাসপতি) whole wheat grains (বার্লি, লাল চালবিভিন্ন ধরনের whole wheat pastas and cereals)

৫. পানি- আদ্র রাখবে ব্রেইনকেঃ
সামান্য পানিশূন্যতাও মানসিক শক্তি কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব ফেলেতাই কমপক্ষে ২.৫-৩ লিটার পানি দৈনিক পান করা উচিত

৬. কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজনঃ
কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার serotonin এর লেভেল ঠিক রাখে। ঘুমের ধরন, মুড, appetite ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্রেইনের কোষ serotonin ব্যবহার করে এছাড়া অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও নিয়ন্ত্রণ করে serotoninতাই জটিল কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে

৭. প্রয়োজন নিয়মিত গ্লুকোজ সরবরাহঃ
আগেই বলেছি,ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে। আর নিয়মিত খাবার গ্রহন না করলে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল কমে যায়এর ফলে মেমোরী লস হতে পারেতাই দেখা যায় যারা সকালের নাস্তা বাদ দেয় তাদের স্মৃতি শক্তি দূর্বল হয়। খুব তাড়াতাড়ি গ্লুকোজ পাওয়া যাবে আস্ত ফল থেকে, যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি

৮. (Fava Beans) সীমঃ
সীমে খুব ভাল পরিমানে আছে levodopa , আমাদের ব্রেইন levodopa কে dopamine এ রুপান্তরিত করেdopamine ব্রেইনের বিশেষ কিছু কাজ (concentration, motivation movement) নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন হয়

৯. Herbs:
Herbs খাবারের স্বাদই শুধু বাড়ায় না, আমাদের চিন্তা-ভাবনায়ও বিশেষ প্রভাব ফেলে। Herbs স্মৃতিশক্তি উন্নত করে, মানসিক দক্ষতা বাড়ায়মনোযগ বাড়ায়মানসিক সতর্কতা বাড়ায়

১০. মাছঃ
প্রোটিন হল neurotransmitters তৈরীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদানআর neurotransmitters mental performance এর জন্য প্রয়োজন। মাছ হল প্রোটিনের খুবই ভাল উৎসএছাড়া মাছে আছে essential oils যা ব্রেইনের বর্ধনসুরক্ষা ও কাজের জন্য প্রয়োজন

১১. বিভিন্ন রকমের বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবারফুলকপি, ব্রোকলীবাধাকপি ব্রেইনের জন্য খুবই উপকারী

ব্রেইনের যত্ন নিনপুষ্টি যোগান, ব্রেইনও আপনাকে দরকারের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য ধন্যবাদ।]


Saturday, July 5, 2014

Sinusitis/ সাইনুসাইটিস!

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সুন্দর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমন্বয়ে সৃষ্টি করেছেন তথা নাককান ও গলায় এ তিন অঙ্গ মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর কোনো একটি রোগাক্রান্ত হলে সম্পূর্ণ মানবদেহই অসুস্থ হয়ে যায়। এ তিন অঙ্গের যেকোনো একটি অথবা একত্রে তিনটিই রোগাক্রান্ত হতে পারে। যখন কোনো মানুষের রক্তের Esonophil, Serum IGE-এর পরিমাণ বাড়তে থাকেতখন এমনিতেই ঠাণ্ডাহাঁচিসর্দি লেগে যায়। একপর্যায়ে নাকের ভেতরের মাংস ও টনসিল বৃদ্ধি হয় এবং সব শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিতে অ্যালার্জিক প্রদাহ সৃষ্টি হয়। মুখমন্ডল ও মস্তিস্কের হাড়কে হাল্কা করার সুবিধার্তে এর ভেতরে কিছু বায়ুকুঠুরি আছে যার নাম সাইনাস (Sinus), আর ঠাণ্ডায় এর প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন এর জন্য যেই রোগটি হয় তাই আমাদের অতিপরিচিত সাইনুসাইটিস (Sinusitis)



সাইনাস সাধারণত চার প্রকারঃ
১। Maxillary
২। Frontal
৩। Ithomoidal
৪। Sphenoidal

সাধারণত Maxillary ও  Frontal সাইনাসে ইনফেকশন হয়ে থাকে। মাথার খুলির মধ্যে যে Sinus থাকেসেগুলোর বিশেষ ধরনের কাজ রয়েছে। এসব সাইনাস মাথার মধ্যে অবস্থিত বাতাসকে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুতে কাজ করে মাথাকে হালকা রাখে ও খুলির অঙ্গকে যাবতীয় সমস্যা থেকে রক্ষা করে। 

সাইনোসাইটিস দুই ধরনেরঃ 
একটি তীব্র প্রদাহযুক্ত অন্যটি ক্রনিক দীর্ঘ দিনের প্রদাহ, যা সাধারণত আস্তে আস্তে হয়ে থাকে। সাইনোসাইটিস সাধারণত ঠাণ্ডা ও ভেজা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ, ধুলোবালু ও ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশে বেশি দেখা যায়। এ ছাড়াও নাকে আঘাত পাওয়াএলার্জিনাকের হাড় বাকা হয়ে যাওয়ানাকে টিউমার হওয়া, নাকের ইনফেকশননাকের ভেতর ঝিল্লির প্রদাহ ও নাকের ভেতর মাংস বৃদ্ধি এবং ব্যাকটেরিয়া জনিত নানাবিধ কারণে গুলো এ রোগের প্রকোপ অনেকগুনে বাড়িয়ে তোলে

উপসর্গঃ 
সাধারণত চোখের নিচ ও কপাল সহ মাথাব্যথামুখমণ্ডলমাথার পেছন দিকে ব্যথাসর্দিহাঁচিনাকে ব্যথা হওয়া এবং আস্তে আস্তে শ্বাসকষ্ট অনুভব হলেই সাইনোসাইটিসের লক্ষণ বুঝতে হবে। নাক দিয়ে অবিরত পানি পরা বা হটাৎ করে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়াটা সাইনুসাইটিস রোগের একদমই পরিচিত একটি উপসর্গ। সেই সাথে তীব্র-দীর্ঘ ও বিরক্তিকর মাথা ব্যথা তো রয়েছেইসাইনাস গুলোর ঠিক উপরেও একটা চাপা ব্যথা থাকে। মাথা ভারী ভারী লাগা ও সবকিছু খাবারের স্বাদ নষ্ট হয়ে যাওয়া। অনেক সময় এর সাথে জরগা ম্যাজ ম্যাজ করা এবং মানসিক অবসাদ যোগ হয়ে রোগীকে ভীত করে তোলে। এ ক্ষেত্রে প্যাথলজিতে পিএনএস এক্স-রে করে আমরা সাইনাসের অবস্থান জানতে পারি। 

সাইনোসাইটিসের চিকিৎসাঃ 
সাধারণত বেশির ভাগ রোগীকেই দেখা যায় যারা সাইনাসে ভোগেন তাদের নাকের ভেতর মাংস বৃদ্ধি হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে প্রথমে পলিপের চিকিৎসা দিয়ে নাকের দুটি ছিদ্র ব্লক অবস্থা থেকে মুক্ত করে সাইনোসাইটিসের চিকিৎসা শুরু করা ভালো। এতে ভালো ফল আশা করা যায়। 

সাধারণত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় সাইনোসাইটিসের তীব্র কষ্টকর পরিস্থিতি থেকে অতি অল্প সময়ে মধ্যে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

অন্য পদ্ধতিতে অপারেশন ও সিরিঞ্জ দিয়ে পানি ঢুকিয়ে ওয়াশের মাধ্যমে সাইনোসাইটিসের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় বছরে কমপক্ষে দুইবার এ ধরনের চিকিৎসা নিতে হয়। এটি রোগীর জন্য দীর্ঘ সময় ও ব্যয়সাপেক্ষ চিকিৎসা।


রোগীদের করণীয়ঃ 
চিকিৎসার পাশাপাশি ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার ব্যবহার, অতিরিক্ত গরম, ধুলোবালু, অ্যালার্জি-জাতীয় খাবার বর্জন করতে হবে।

অনেকের এই রোগটি বছরে কয়েকবার হয়ে থাকেবিশেষ করে যারা বিভিন্ন এলার্জিতে ভোগেনতাই এ রোগ এড়াতে ঐসব ব্যাপারে বিশেষ সাবধান হওয়া আবশ্যক। শুষ্কখোলামেলা এবং যথেষ্ট আলো বাতাস আছে এমন ঘরে বসবাস সাইনুসাইটিসের সম্ভাবনা অনেকাংশে হ্রাস করে। সেই সাথে নাকে বাষ্পের ভাপ নেয়াপুষ্টিকর ও ভিটামিনযুক্ত খাবার খাওয়া এবং বিশ্রাম নেয়া এ রোগে বেশ আরাম দেয়


[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Thursday, June 5, 2014

মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধির ৬টি পরামর্শ !


 খাদ্যে যথাযথ পরিবর্তন ঘটালে বুদ্ধিবৃত্তি উন্নত হয়, মগজ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়, বার্ধক্যের প্রভাব থেকেও রক্ষা পায়
 ফলিক এসিডের ঘাটতি হলে বিষন্নতা হতে পারে, এজন্য পরামর্শ হচ্ছে প্রচুর পালংশাক খান, কমলার রস যাতে রয়েছে ফলিক এসিড
 মস্তিষ্কের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজন এন্টিএক্সিডেন্ট যা রয়েছে উদ্ভিজ তৈল, বাদাম এবং সবুজ পত্রবহুল সবজিতে এসব গ্রহণ করলে স্মৃতিশক্তি উন্নত থাকে তাই বেশি বেশি এন্টিএক্সিডেন্ট গ্রহণ করুন
 পরিফেনোল কারকুমিন এর রয়েছে সুরক্ষা ক্ষমতা হলুদে রয়েছে এই কারকুমিন এই উপমহাদেশে হলুদ প্রচুর ব্যবহৃত হয় রন্ধনে এজন্যই কি মস্তিষ্কের রোগ আলঝাইমার তত দেখা যায় না
 ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড (তৈলাক্ত মাছ, বাদাম, অলিত অরেল ইত্যাদি) এ রয়েছে শেখার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তির উন্নতি, বিষণ্নতা ও অন্যান্য মানসিক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা যেসব দেশে মানুষ প্রচুর মাছ খান এদের মধ্যে ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন কম এজন্যই কি এত দুঃখের মধ্যেও মাছে ভাতে বাঙালির পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সুখী মানুষ
 যে সব খাবারের ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি যেমন ফাস্টফুড, ভাজা খাবার, মাখন, কেক, পেস্ট্রি এসব বেশি খেলে বুদ্ধিবৃত্তির উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে, তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলুন

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য ধন্যবাদ]

Saturday, December 21, 2013

মস্তিষ্কের ব্যায়াম !

সুদোকু:ছক কাটা ঘরে সংখ্যা বসানোর এই খেলাকে মগজের জন্য সবচেয়ে উপকারী ধরা হয়। এই খেলা শুধু মগজের গতিই
বাড়াবে না, ঝালিয়ে দেবে সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাও।


সাধারণ গণিত:
গণিতচর্চা মানে মস্তিষ্কেরই চর্চা।
মনে মনে করার মতো অতি সাধারণ গুণ, ভাগও মস্তিষ্কের ক্ষমতা

হাতে লিখুন:
কম্পিউটারের যুগ বলে হাতে লেখার অভ্যাসটা একেবারে ত্যাগ করবেন না। হাতে লিখলে হাতের
লেখা ভাল হোক না হোক, মগজটা ব্যস্ত থাকবে।

নিজেই শিক্ষক:
কিছু শেখা বা করার সময় মনে মনে নিজেকে নিজের শিক্ষকের ভূমিকায় কল্পনা করুন। কোনো কিছু ভুলে গেলে
টিচারের মতোই নিজেকে হাত নেড়েচেড়ে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করুন।

গোয়েন্দাগিরি:
গোয়েন্দাদের মতো করে দেখতে শিখুন। একটি ঘটনা বা বিষয়ের
সঙ্গে আরেকটি সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয়ের সম্পর্ক খুঁজে বের করুন।

ধ্যান:
যারা সারাক্ষণ নানা ধরনের চাপে থাকেন, তাদের মগজটাকে সময়ে সময়ে হালকা করতে বিকল্প নেই। মেডিটেশনের ওপর বই বা সিডি এক্ষেত্রে কাজে আসতে

খাবার ও শরীরচর্চা:
সবশেষে মগজটাকেও খেতে দিন।
স্বাস্থ্যকর খাবারে শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো মস্তিষ্কও সুস্থ থাকে। আর দিনে মাত্র ১৫ মিনিটের শরীরচর্চাও পারে আপনাকে আরো বুদ্ধিদীপ্ত করে তুলতে।

Friday, November 22, 2013

আধকপালি বা মাইগ্রেন হলে করণীয়!

মাথাব্যথার প্রকৃত কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজও কোনও স্থির সিদ্ধান্ত দিতে পারেননি। টেনশনসহ নানা কারণেই মাথাব্যথা হতে পারে। এসব মাথা ব্যথাকে আমরা আধকপালি বা মাইগ্রেন বলি। এ নিস্তারের উপায় কি? সে বিষয়েই আজকের আলোচনা।


বিজ্ঞানীরা ১৯৬০ সালে মাথাধরা সম্পর্কিত এক গবেষণায় জানান, টেনশনের কারণে অনেক সময় মাথাব্যথা হয় এবং তার চিকিৎসাও সহজ। রক্তবাহী শিরাগুলো যখন মস্তিষ্কে ঠিকমতো রক্ত সরবরাহ করে না, তখন অনেকে একে মাইগ্রেনের ব্যথা হিসেবে চিহ্নিত করেন।

মাইগ্রেন হল একটি ভিন্ন ধরনের মাথা ব্যথা। মেয়েদের মাঝে এ রোগ বেশী দেখা যায়। তবে পুরুষেরও এ রোগ হতে পারে।

এই রোগ কেন হয়?
মাথার ভেতরের রক্তচলাচলের তারতম্যের কারণে এই রোগ হয়। রক্ত চলাচল কমে গেলে হঠাত্ করে চোখে সব অন্ধকার দেখা যায়, এবং পরবর্তীতে রক্ত চলাচল হঠাত্ বেড়ে গিয়ে প্রচন্ড মাথা ব্যথার অনুভূতি তৈরী হয়।

এছাড়াও ...

প্রথমতঃ কিছু কিছু খাবার যেমনঃ চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি খাবার, জন্ম বিরতীকরণ ওষুধ, দুঃচিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম ইত্যাদির কারণে এই রোগের সূচনা হতে পারে।

দ্বিতীয়তঃ মাইগ্রেন রোগী যারা এ ব্যথার পাশাপাশি সাইনাসগুলোর প্রদাহে ভুগছেন বা প্রচণ্ড সর্দি-কাশি বা ঠাণ্ডায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের ব্যথার প্রকোপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।

তৃতীয়তঃ যখন প্রচণ্ড গরম পড়ে এবং পরিবেশের অবস্থা ভ্যাপসা আকার ধারণ করে তখন মাইগ্রেনের রোগীর মাথাব্যথার প্রকোপ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে শীতকালে যদি ঠাণ্ডা বাতাস বেশি লাগে বা কুয়াশা পরিবেষ্টিত অবস্থা বিরাজ করে তখন এর প্রকোপ আরও বেড়ে যায়।

কমন মাইগ্রেনঃ
মাথা ব্যথা, বমি ভাব এই রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে, অতিরিক্ত হাই-তোলা, কোন কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তবোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথা ব্যথা শুরুর আগেও হতে পারে। মাথার যে কোন অংশ থেকে এই ব্যথা শুরু হয়। পরবর্তীতে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। চোখের পেছনে ব্যথার অনূভূতি তৈরী হতে পারে। চোখের উপর হালকা চাপ দিলে আরাম বোধ হয়। মাথার ২ পাশে কানের উপরে চাপ দিলে এবং মাথার চুল টানলে ভাল লাগে। তখন শব্দ এবং আলো ভাল লাগেনা। কখনো কখনো অতিরিক্ত শব্দ এবং আলোতে মাথা ব্যথা বেড়ে যায়।

ক্লাসিকাল মাইগ্রেনঃ
এখানে চোখে দৃষ্টি সমস্যা যেমন চোখে উজ্জ্বল আলোর অনুভূতি, হঠাত্ অন্ধকার হয়ে যাওয়া, দৃষ্টি সীমানা সরু হয়ে আসা অথবা যে কোন এক পাশ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ হতে পারে। ২০ মিনিট স্থায়ী এই উপসর্গের পর বমির ভাব এবং মাথা ব্যথা শুরু হয় যা সাধারণত এক পাশে হয়। দৃষ্টির সমস্যা ১ ঘন্টার বেশী স্থায়ী হলে ধরে নিতে হবে এটি মাইগ্রেন নয়। ব্রেইন অথবা চোখে অন্য কোন সমস্যার কারণে দৃষ্টির এ সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। মাথা ব্যথা বিহীন শুধুমাত্র ভিসুয়াল অরা বা দৃষ্টি সমস্যাও ক্লাসিকাল মাইগ্রেন এর লক্ষণ হতে পারে।

করণীয়ঃ
যাদের এ রোগ আছে, তাদের অন্তত: দৈনিক ৮ ঘন্টা ঘুম আবশ্যক। সে সব খাবার খেলে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে সে সব খাবার যেমন কফি, চকলেট, পনির, আইসক্রীম, মদ ইত্যাদি বর্জন করা উচিত। অধিক সময় উপবাস থাকা যাবে না। জন্মবিরতীকরন পিল সেবন না করা শ্রেয়। প্রয়োজনে অন্য পদ্ধতি বেছে নেয়া ভাল। পরিশ্রম, মানষিক চাপ এবং দীর্ঘ ভ্রমণ বর্জনের মাধ্যমে মাইগ্রেনের আক্রমণ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

চিকিত্সাঃ
এই ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খুব কার্যকর।

সবচেয়ে বড় কথা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মানষিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এর মাধমে অনেক ক্ষেত্রেই এই রোগের বার বার আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। মনে রাখবেন, সব মাথা ব্যথা মাইগ্রেন নয়, দৃষ্টি স্বল্পতা, ব্রেইনটিউমার, মাথায় রক্তক্ষরণ ইত্যাদি কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে, সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।

 আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

Friday, October 18, 2013

সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায় !

পড়ে দেখুন, আপনিও হয়তো বাচাতে পারেন একটি জীবন।


আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।
...


একটি সত্যি গল্পঃএকটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন।উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসেতার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।

মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্র মহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়,সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।


একজন মস্তিষ্ক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণ ভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল একজন মস্তিষ্ক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণ ভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।


মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।


সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ


S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।


এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন।


সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।


একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপার গুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।


দয়া করে আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও জানান !!!!! হয়তো একটা জীবন বেচেও যেতে পারে কেয়ারে ।



আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য