Surprising Benefits of Exercise

Physical Exercise Is Going To Boost Your Cardiovascular Health.

Keeping Smile!

When someone is rude, keep a smile on your face. When you stay on the right road and keep your joy, you take away their power.

Yoga postures to relieve menstrual cramps

Many women suffer abdominal cramps during their menstrual cycles. At times, the cramps are combined with shooting or burning sensations in the lower abdomen. Nausea is also common during periods in females.

Health Benefits of Running

The health benefits of running include weight loss, a youthful appearance, prevention of muscle and bone loss, growth hormone enhancement, the prevention of stroke, diabetes, and hypertension. It also lowers high cholesterol level, improves blood clotting, boosts the immune system, reduces stress, and enhances mood.

Monday, July 27, 2020

খাবার বড়ি (পিল)

গর্ভনিরোধক খাবার বড়ি/পিল নিরাপদ ও কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। বাংলাদেশে খাবার বড়ি সর্বাধিক ব্যবহৃত পদ্ধতি। বর্তমানে প্রচলিত মিশ্র খাবার বড়ির উপাদান হল ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টোরেন হরমোন। মূলত ইস্ট্রোজেন হরমোনের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে খাবার বড়ির প্রকার নির্ণয় করা হয়। এছাড়া শুধুমাত্র প্রজেস্টোরেন সমৃদ্ধ মিনিপিলও কার্যকর গর্ভনিরোধক বড়ি হিসাবে ব্যবহৃত।




গর্ভধারণ প্রতিরোধে খাবার বড়ি কিভাবে কাজ করে?
সারভিক্সের শ্লেষাকে ঘন করে শুক্রকীটকে জরায়ুতে প্রবেশে বাধা দেয়, ডিম্বস্ফুটনে বাধা দেয়। স্বাভাবিক মাসিক চক্রের মাঝামাঝি সময়ে লিউটিনাইজিং হরমোন হঠাৎ বেড়ে যাবার ফলে ডিম্বস্ফুটন হয়। খাবার বড়ি লিউটিনাইজিং হরমোন হঠাৎ বেড়ে যাওয়াকে প্রতিহত করে ডিম্বস্ফুটন হতে দেয় না। ডিম্ববাহী নালীর স্বাভাবিক নড়াচড়ার গতি কমিয়ে দেয়, ফলে শুক্রকীটের গতিও কমে যায়। ডিম্বের কাছে পৌছাতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে বলে শুক্রকীট দুর্বল হয়ে পড়ে বা মারা যায়। জরায়ুর ভিতরের ঝিল্লির বেড়ে যাওয়া রোধ করে, ফলে নিষিক্ত ডিম্ব জরায়ুতে গ্রথিত হবার মত কোনো পরিবেশ না পেয়ে গ্রথিত হতে পারে না। 

মিশ্র খাবার বড়ি প্রথম শুরু করার নিয়ম!

বাংলাদেশে প্রায় সকল মিশ্র খাবার বড়ির প্যাকেটে ২১টি সাদা জন্মনিরোধক বড়ি এবং ৭ টি খয়েরি বড়ি (আয়রন বড়ি) থাকে। যেসব প্যাকেটে ২১টি বা ২২টি বড়ি থাকে সেক্ষেত্রে সব শেষ হয়ে গেলে মাসিকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে । মাসিক শুরু হলে মাসিকের প্রথম দিন থেকে আবার নতুন প্যাকেটের বড়ি খাওয়া শুরু করতে হবে। যদি মাসিক না হয় এবং গ্রহীতা নিশ্চিত থাকেন যে, কোনো বড়ি খেতে ভুল হয় নি তবে শেষ বড়ি খাওয়ার ৭ দিন পরে নতুন পাতা থেকে বড়ি খেতে শুরু করবেন। এছাড়া-

  • ডিম্বস্ফুটন সঠিকভাবে প্রতিরোধ করার জন্য মাসিকের প্রথম দিন থেকে শুরু করা উচিত। 
  • মহিলা যদি নিশ্চিত হন যে, তিনি গর্ভবতী নন তবে প্রয়োজনে যে কোনো দিন থেকে শুরু করতে পারেন।


মিনিপিল!
শুধুমাত্র প্রজেস্টোরেন দিয়ে যে জন্মবিরতিকরন খাবার বড়ি বা পিল তৈরি হয় তাই মিনিপিল। মিনিপিল শতকরা ৯৭- ৯৮ ভাগ কার্যকর। মিনিপিল খাওয়ার নিয়ম

  • প্রতিদিন একই সময়ে একটি করে বড়ি খেতে হবে।
  • একটি প্যাকেটের সবগুলো বড়ি খাওয়া হয়ে গেলে পরদিনই নতুন আরেকটি পাতা থেকে শুরু করতে হবে । দুই প্যাকেটের মাঝে বিরতি দেয়া যাবে না।

মিনিপিল প্রথম শুরু করার সময়!

  • মাসিক শুরুর ৫দিনের মধ্যে ।
  • যারা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন, তারা বাচ্চার জন্মের ৬ সপ্তাহ পর থেকে শুরু করতে পারেন।
  • যারা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, তারা যে কোনো সময় শুরু করতে পারেন, মাসিক হোক বা না হোক।
  • যদি বাচ্চার জন্মের ৪ সপ্তাহ পর থেকে খাওয়া শুরু করেন তবে তাকে নিশ্চিত হতে হবে যে, তিনি গর্ভবতী নন।

বড়ি খেতে ভুলে গেলে করণীয়!

  • যদি একদিন বড়ি খেতে ভুলে যান তাহলে যখনই মনে পড়বে তখনই একটি বড়ি খাবেন এবং ঐদিনের বড়িটি যথাসময়ে খাবেন।
  • যদি পরপর দুইদিন বড়ি খেতে ভুলে যান তাহলে মনে পড়ার সাথে সাথে দুইটি বড়ি খাবেন। পাতার বাকি বড়ি নির্দিষ্ট সময়ে প্রতিদিন একটি করে খাবেন এবং পরবর্তী মাসিক না হওয়া পর্যন্ত কনডম ব্যবহার করবেন বা সহবাস থেকে বিরত থাকবেন।
  • যদি পরপর তিনদিন বড়ি খেতে ভুলে যান তবে ঐ পাতা থেকে আর বড়ি খাবেন না এবং পরবর্তী মাসিকের আগ পর্যন্ত কনডম ব্যবহার করবেন বা সহবাস থেকে বিরত থাকবেন।
  • যদি খয়েরি বড়ি (২৮টি বড়ির প্যাকেট) খেতে ভুলে যান তবে ঐ পাতা থেকে আর খয়েরি বড়ি খাবেন না এবং নতুন পাতা হতে রোজ একটি করে সাদা বড়ি খেতে শুরু করতে হবে।
  • কোনো কারণে স্বামী সাময়িকভাবে বাড়িতে না থাকলে বড়ি খাওয়া বাদ দেয়া যাবে না।

খাবার বড়ির সুবিধা!

  • সঠিক ভাবে খেলে এটি অত্যন্ত কার্যকরী ও নিরাপদ।
  • প্রজননক্ষম সকল বয়সী মহিলা / নারী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসাবে খাবার বড়ি ব্যবহার করতে পারেন ।
  • এটি একটি অস্থায়ী পদ্ধতি, যে কোনো সময় বড়ি ছেড়ে দিয়ে অন্য পদ্ধতি ব্যবহার করা যায় বা গর্ভধারণ করা যায় ।
  • জরুরি গর্ভনিরোধক হিসাবেও ব্যবহার করা যায় ।

খাবার বড়ির অন্যান্য স্বাস্থ্য সুবিধা!

  • জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণের ঝুকি কমায়।
  • মাসিকের সময় জরায়ুর মোচড়ানো ব্যথা কমায়।
  • মাসিকের স্রাবের সময়কাল ও পরিমাণ কমায় এবং রক্তসল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।
  • মাসিক চক্রকে নিয়মিত করে।
  • ডিম্বাশয়ে সিস্ট হওয়ার ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
  • স্তনের ব্যাধির সম্ভাবনা কমায়।
  • গনোরিয়াজনিত পিআইডির মাত্রা হ্রাস করে।
  • ব্রণ, অবাঞ্ছিত লোম ওঠা কমায়।
  • মাসিক পূর্ববর্তী উপসর্গ কমায়।

খাবার বড়ি গ্রহণের অসুবিধা!

  • প্রতিদিন খেতে হয়।
  • যৌন রোগ প্রতিরোধ করে না ।
  • মাসিক স্রাব বন্ধ থাকতে পারে।
  • যোনিপথের পিচ্ছিলতা কমে যেতে পারে।
  • বুকের দুধ কমে যেতে পারে।
  • বিমর্ষতা দেখা দিতে পারে।

খাবার বড়ির পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া!
খাবার বড়ি ব্যবহারের প্রথম দিকে (৩ থেকে ৪ মাস) ছোটখাটো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যেমন-

  • উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে
  • স্তন ভারী বোধ হওয়া এবং স্তন স্পর্শ কালে ব্যথার অনুভুতি
  • দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে ফোঁটা ফোঁটা রক্তস্রাব
  • বিমর্ষতা দেখা দিতে পারে
  • বমি বমি ভাব
  • মাথা ধরা
  • মুখে ব্রন
  • ওজন বৃদ্ধি
  • যে সমস্ত মহিলা মায়োকার্ডিয়াল ইনফারকশন, স্ট্রোক ইত্যাদি-এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে, তাদের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দেয়।
  • ক্লোয়াজম বা গর্ভবস্থার মতো মুখের ত্বকের রঙের পরিবর্তন হতে পারে।
  • শিরার রক্ত জমাট বেধে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই অতীতে বা বর্তমানে যাদের এই সমস্যা হয়েছে, তারা ইস্ট্রোজেন সমৃদ্ধ মিশ্র খাবার বড়ি খেতে পারবেন না।
খাবার বড়ি কোথায় পাওয়া যায়!
আমাদের দেশে সরকারি পর্যায় মাঠকর্মী, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্যাটেলাইট ক্লিনিক, ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, জেলা সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং স্বীকৃত এনজিও/ বেসরকারি ক্লিনিক, ফার্মেসিতে খাবার বড়ি পাওয়া যায়।

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জন্মবিরতিকরণ খাবার বড়ি!
সরকারি পিল সুখী বিনামুল্য মাঠকর্মীর কাছ থেকে, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্যাটেলাইট ক্লিনিক, ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে পাওয়া যায় । এসমসি ব্র্যান্ডের পিল নরেট-২৮, ফেমিকন, ফেমিপিল, মাইপিল, ওভাকন গোল্ড, এবং শুধুমাত্র প্রজেস্টোরেন সমৃদ্ধ মিনিপিল মিনিকন নামে যে কোনো ফার্মেসিতে পাওয়া যায়।

Sunday, March 15, 2020

করোনা ভাইরাস (COVID-19) সম্পর্কিত সাধারন তথ্য

✅ করোনা ভাইরাস কী?
👉 করোনা ভাইরাস একটি জীবাণু যা মানুষের শরীরে জ্বর, কাশি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট (নিউমোনিয়া) তৈরী করে।
👉 বেশীরভাগ ক্ষেত্রে এই রোগ নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। শুধুমাত্র কিছু কিছু ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয় এবং হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
👉 বিশেষ করে যারা বয়স্ক ও শারীরিকভাবে দূর্বল, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রোগের প্রভাব মারাত্বক হতে দেখা যায়।
👉 এই রোগটি অতিরিক্ত সংক্রামক, সুতরাং খুব দ্রুত এটি বিস্তার লাভ করে। তবে যথাযথ প্রতিরোধম‚লক ব্যবস্থা নিলে, এর বিস্তার অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।


✅ করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ কিভাবে ছড়ায়ঃ
👉 এই ভাইরাসটি মূলত মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়- আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি, কফ-থুথুর মাধ্যমে ও
আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে সরাসরি সংস্পর্শে আসলে।

✅ রোগের লক্ষণসমূহঃ
👉 ভাইরাস শরীরে ঢোকার পরে সংক্রমনের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় ২-১৪ দিন সময় লাগে।
👉 বেশীরভাগ ক্ষেত্রে প্রথম লক্ষণ জ্বর।
👉 এছাড়া শুকনো কাশি হতে পারে।
👉 শ্বাসকষ্ট/ নিউমোনিয়া দেখা দিতে পারে।
👉 অন্যান্য অসুস্থতা (ডায়াবেটিস/ উচ্চ রক্তচাপ/ শ্বাসকষ্ট/ হৃদরোগ/ কিডনী রোগ/ ক্যান্সার ) থাকলে তা বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়।

✅ কখন সন্দেহ করবেন আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন?
👉 আপনি যদি গত ১৪ দিনের মধ্যে-
- চীন বা অন্যান্য আক্রান্ত দেশসমূহে (যেখানে স্থানীয় সংক্রমণ আছে) ভ্রমণ করে থাকেন, অথবা
- কোভিড-১৯ আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে থাকেন,
এবং আপনার যদি-
- জ্বর (১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি)
- কাশি
- গলাব্যথা
- শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয় সেক্ষেত্রে দেরি না করে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যাবেন, অথবা আইইডিসিআর হটলাইনে যোগাযোগ করবেন।

✅ সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থাঃ
প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুই প্রকার:
১) ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও
২) কাশির শিষ্টাচার

✬ ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতাঃ
👉 সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়া অথবা হ্যান্ড ''স্যানিটাইজার" ব্যবহার করে হাত পরিস্কার করা।
👉 অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ না করা।

✬ নিচের ধাপ অনুসরণ করে হাত ধুতে হবে -
👉 প্রথমে দুইহাত পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন
👉 এরপরে দুই হাতেই সাবান লাগিয়ে নিন
👉 একহাতের তালু দিয়ে অন্য হাতের তালু ঘষুন
👉 এক হাতের তালু দিয়ে অন্য হাতের উল্টো পীঠ এবং আঙ্গুলের ফাঁকে আঙ্গুল ঢুকিয়ে ঘষুন
👉 দুই তালু আঙ্গুলের ফাঁকে আঙ্গুল ঢুকিয়ে ঘষুন
👉 এক হাত দিয়ে অন্য হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘষুন
👉 ডান হাতের সব আঙ্গুল একসাথে অপর হাতের তালুতে ঘষুন
👉 এবার পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ধুয়ে একটি পরিষ্কার তোয়ালে বা টিস্যু দিয়ে হাত মুছে ফেলুন

✬ কখন কখন হাত ধুতে হবে -
👉 নাক পরিষ্কার করা, হাঁচি বা কাশি দেয়ার পরে।
👉 অসুস্থ কাউকে সবো দেয়ার আগে ও পরে।
👉 খাবার তৈরির আগে ও পরে।
👉 খাবার খাওয়ার পূর্বে।
👉 প্রতিবার টয়লেট ব্যবহার করার পরে।
👉 হাতে দৃশ্যমান কোনো ময়লা থাকলে।
👉 ময়লা-আবর্জনা ধরার পরে।
👉 কোন প্রাণী হাত দিয়ে ধরলে বা প্রাণীর ময়লা পরিষ্কার করার পরে।

✬ কি দিয়ে হাত ধুতে হবে-
👉 সাবান-পানি হলো হাত ধোয়ার জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়
👉 হাতের কাছে সাবান না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করা যাবে

 কাশির শিষ্টাচার
👉 হাঁচি বা কাশি দেয়ার সময় টিস্যু দিয়ে অথবা কনুই ভাঁজ করে নাক মুখ ঢেকে রাখুন।
👉 ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত বিন এ ফেলুন।
👉 যেখানে সেখানে থুথু/কফ ফেলার অভ্যাস পরিহার করুন।
👉 সর্দি/কাশি বা জ্বর এ আক্রান্ত হলে ডিসপাজেবল মাস্ক পরিধান করুন ।
👉 ব্যবহৃত মাস্ক প্রতি ৮ ঘন্টা পরপর বা হাঁচি-কাশি দেবার পর মাস্ক ভিজে গেলে পরিবর্তন করুন।

✅ আপনার নিজের কোন লক্ষণ দেখা দিলে কি করবেন?
👉 জ্বর, হাঁচি-কাশি, মাথাব্যাথা হলে- আইইডিসিআর এ হটলাইনে যোগাযোগ করুন ও আপনার তথ্য অফিসে জানিয়ে দিন।
👉 পরিবারের অন্য সদস্যদের নিরাপত্তার সার্থে আপনি একা আলাদা একটি রুমে আলাদাভাবে অবস্থান করুন ও সবসময় মাস্ক পরিধান করুন।
👉 জরুরী কাজ ব্যতিত বাড়ীর বাইরে যাওয়া হতে বিরত থাকুন। জরুরী কাজে বাইরে গলেে মাস্ক পরিধান করুন।
👉 সুস্থ ব্যক্তিদের থেকে অন্তত ১ মিটার (৩ ফিট) দূরত্ব বজায় রাখুন।
👉 ব্যবহার করা কাপড়চোপড় ভাল করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং আসবাবপত্র জীবাণুনাশক দিয়ে পরিস্কার করুন।

✅ আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে কি করবেন?
👉 সংস্পর্শে আসার দিন থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত আলাদা একটি কক্ষে অবস্থান করুন ও সবসময় মাস্ক পরিধান করুন।
👉 জরুরী কাজ ব্যতিত বাড়ীর বাইরে যাওয়া হতে বিরত থাকুন, জরুরী কাজে বাইরে গলে মাস্ক পরিধান করুন।
👉 সুস্থ ব্যক্তিদের থেকে অন্তত ১ মিটার (৩ ফিট) দূরত্ব বজায় রাখুন।
👉 এই ১৪ দিনের মধ্যে লক্ষন দেখা দিলে আইইডিসিআর এ হটলাইনে যোগাযোগ করুন ও আপনার অফিসে জানিয়ে দিন।
👉 ১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা না দিলে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফেরত যেতে পারবেন।
👉 ব্যবহার করা কাপড়চোপড় ভাল করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং আসবাবপত্র জীবাণুনাশক দিয়ে পরিস্কার করুন।

✅ অন্যান্য মাঠ কর্মীদের করণীয় -
👉 কর্মস্থলে মানুষের ভিড় এড়িয়ে চলুন।
👉 প্রত্যেক সেবাগ্রহনকারীর সাথে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও কাশি শিষ্টাচার নিয়ে কথা বলুন।
👉 হাঁচি কাশি দেয়ার সময় টিস্যু দিয়ে বা বাহুর ভাঁজে নাক-মুখ ঢেকে রাখুন, ব্যবহার করা টিস্যু কোন ঢাকনা যুক্ত পাত্রে ফেলে দিন এবং হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
👉 হাঁচি-কাশি বা জ্বর আছে এমন ব্যক্তিদের থেকে অন্তত ১ মিটার (৩ ফিট) দূরত্ব বজায় রাখুন।
👉 অপরিষ্কার হাতে চোখ-নাক-মুখ স্পর্শ করবেন না।
👉 টাকা/ পয়সা হাত দিয়ে ধরার পরে সাবান-পানি দিয়ে বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করে ফেলুন।
👉 হাঁচি-কাশির সময় পোশাকে কিছু লাগলে বাসায় ফিরে তা অবশ্যই ভাল করে ধুয়ে ফেলুন।

✅ অফিসের নিয়ম কানুনঃ
👉 অফিসে ঢোকার মূল প্রবেশপথে হাত ধোয়ার জন্য ’হ্যান্ড স্যানিটাইজেশন ষ্টেশন স্থাপন করতে হবে।
👉 জীবাণুনাশক দিয়ে প্রতিদিন ডেস্ক, কম্পিউটার, টেলিফোন, দরজার হাতল, সিঁড়ির রেলিং এবং খাবারের জায়গা পরিস্কার করুন।
👉 কারো সাথে হাত মিলানো বা কোলাকুলি করা থেকে বিরত থাকুন।
👉 মিটিং রুম ও কমন স্পেসে, সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে হ্যান্ড স্যানিটাইজিং ষ্টেশন স্থাপন করুন।
👉 সর্দি/কাশি বা জ্বর এ আক্রান্ত হলে ডিসপাজেবল মাস্ক পরিধান করুন, অন্যান্য কর্মীদের থেকে কমপেক্ষে এক মিটার দুরত্ব বজায় রেখে চলুন এবং ও আইইডিসিআর এ হটলাইনে যোগাযোগ করুন।
👉 টাকা-পয়সা ধরার পর হাত সাবান-পানি অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করুন।

✅ গাড়িতে করণীয়ঃ
👉 গ্যারেজ থেকে গাড়ি বের করার পূর্বে ও প্রতি ট্রিপের পর ড্রাইভিং হুইল, গিয়ার, ড্যাশবোর্ড, গাড়ির হাতল, কাঁচ এবং যেসব জায়গায় যাত্রী বসা বা উঠা-নামার সময় হাত দিয়ে স্পর্শ করা হয়, সেসকল স্থান অফিস থেকে সরবরাহকৃত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিস্কার করুন।
👉 গাড়ি চালনার সময়ে হাঁচি বা কাশি আসলে টিস্যু বা হাতের কনুই এর ভাঁজ ব্যবহার করুন।
👉 এসি গাড়ির চালকগণ বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করুন। কারণ বদ্ধ জায়গায় হাঁচি বা কাশি থেকে জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি থাকে।
👉 গাড়িতে পর্যাপ্ত টিস্যু বক্স রাখুন এবং যাত্রীদের হাতের নাগালে রাখুন।

✅ বাড়িতে করণীয়ঃ
👉 বাইরে থেকে ফিরে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন।
👉 খাবার প্রস্তুত করার পুর্বে হাত ও কাঁচা খাবার ভাল করে ধুয়ে নিন।
👉 মাছ-মাংশ-ডিম ভাল করে রান্না করুন।
👉 অপ্রয়োজনে পশু-পাখি ধরবেন না, ধরলে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।
👉 অসুস্থ ব্যক্তির পরিচর্যার আগে ও পরে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

✅ যারা রান্নার কাজে জড়তি তাদরে করণীয়ঃ
👉 খাবার প্রস্তুত করার পুর্বে এবং পরিবেশনের আগে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন।
👉 কাঁচা খাবার (শাক- সব্জি, ফল-মূল, মাছ-মাংশ) ভাল করে ধুয়ে নিন।
👉 মাছ-মাংশ-ডিম ভাল করে (সিদ্ধ) রান্না করুন । আধা-সিদ্ধ খাবার খাওয়া যাবে না।
👉 কোন প্রাণীর শ্লেষ্মা বা মল হাতে লাগলে দ্রুত সাবান পানি দিয়ে হাত পরিস্কার করুন।
👉 খাবার প্রস্তুত করার সময় উচ্ছিষ্ট জিনিস খোলা জায়গায় ফেলবেন না, ঢাকনাবদ্ধ পাত্রে উচ্ছিষ্ট রাখুন ও পরে ময়লা ফেলার নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন বিড়াল, কুকুর বা কাক যেন ময়লা না ছিটায়, রান্নাঘর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।
👉 রান্না বা খাবার পরিবেশনের সময়ে হাঁচি বা কাশি না দেয়ার চেষ্টা করুন, প্রয়োজনবোধে মাস্ক ব্যবহার করুন

✅  কোভিড-১৯ এর কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা রয়েছে কি?
👉 আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপসর্গ উপশমের জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা এবং গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত সহায়ক স্বাস্থ্যসেবা (সাপোর্টিভ কেয়ার) দিতে হবে।
👉 এখনও পর্যন্ত কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা বা প্রতিরোধে কার্যকরী নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই।
👉 সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা বা ব্যবস্থা পরীক্ষাধীন, যা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
👉  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহ এ সংক্রান্ত গবেষণা ত্বরান্বিত করার জন্য সহযোগিতা করছে এবং প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার একটি গাইডলাইন দিয়েছে।

 অ্যান্টিবায়োটিক কি কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা বা প্রতিরোধে কার্যকরী?
👉 অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে নয়, ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকরী।
👉 নোভেল করোনাভাইরাস এক ধরনের ভাইরাস বিধায় এর চিকিৎসা বা প্রতিরোধে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার করা উচিত নয়।
👉 তবে, যদি কেউ কোভিড-১৯ দিয়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, তিনি চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যাকটেরিয়া থেকে সহ-সংক্রমণের জন্য (co-infection) অ্যান্টিবায়োটিক পেতে পারেন।

✅ কোয়ারান্টাইন কী? আইসোলেশন কী? কোয়ারান্টাইন ও আইসোলেশন – এর মধ্যে পার্থক্য কী?
👉 কোয়ারান্টাইনঃ কোয়ারান্টাইন–এর মাধ্যমে সেই সকল সুস্থ ব্যক্তিদের, যারা কোনো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছে, অন্য সুস্থ ব্যক্তিদের থেকে আলাদা রাখা হয়, তাদের গতিবিধি নয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ঐ সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয় কি না তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
👉 আইসোলেশনঃ আইসোলেশন–এর মাধ্যমে সংক্রামক রোগে আক্রান্ত অসুস্থ ব্যক্তিদের, অন্য সুস্থ ব্যক্তিদের থেকে আলাদা রাখা হয়।

👉 পার্থক্যঃ
√ কোয়ারান্টাইন–এর মাধ্যমে সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছে এমন সুস্থ ব্যক্তিদের আলাদা রাখা হয় ও তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয় আইসোলেশন–এর মাধ্যমে সংক্রামক রোগে আক্রান্ত অসুস্থ ব্যক্তিদের আলাদা রাখা হয়।
√ কোয়ারান্টাইন–এর মাধ্যমে পর্যবেক্ষণাধীন সুস্থ ব্যক্তিবর্গ ঐ নির্দিষ্ট সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয় কি না তা দেখা হয়আইসোলেশন–এর মাধ্যমে অসুস্থ ব্যক্তি হতে যেন সুস্থ ব্যক্তিরা আক্রান্ত না হয় এ জন্য অসুস্থ ব্যক্তিদের অন্য সুস্থ ব্যক্তিদের থেকে আলাদা রাখা হয়।

                           আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

Friday, October 4, 2019

বয়স ধরে রাখতে ৭ উপায়!

মানুষের বয়সের ছাপ প্রথমে পড়ে মুখের ত্বকে। ত্বকে ভাজ পড়তে থাকে। ত্বক বুড়িয়ে যায়। ডাক্তারের কাছে না গিয়েও আপনি রাখতে পারেন ত্বক সৃন্দর সতেজ, যেখানে থাকবে না বয়সের ছাপ। এজন্য আপনাকে নূন্যতম সাতটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে।


এসব নিয়ম নির্দেশনা সমূহ হচ্ছে:

১. সূর্যের আলো ত্বকের ক্ষতি করে। তাই সকাল ১০টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত সূর্যের আলো পরিহার করুন। প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পর মধ্য মাত্রার সানব্লক ব্যবহার করুন।

২. ধূমপান ছেড়ে দিন। ধূমপানের ফলে ত্বকের মসৃণতা কমতে থাকে এবং ত্বক বুড়িয়ে যায়।

৩. ত্বকের পরির্চায় বা গোসলের সময় অতিমাত্রায় গরম পানি পরিহার করুন। অধিক ক্ষারযুক্ত সাবান পরিহার করুন। প্রতিদিন একটি ভালো ক্লিনজার ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিন ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

৪. স্বাস্থ্যসম্মত আহার করুন এবং খাদ্য তালিকায় শাকসবজি, ফল রাখুন, প্রচুর পানি পান করুন। মাছ খান। রেডমিট পরিহার করুন, ভাত কম খান।

৫. সর্বোপরি মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন। মানসিক চাপ থেকে ত্বকে ভাজ পড়ে এবং ত্বকে বুড়িয়ে যেতে পারে। সর্বদা হাসি খুশি থাকতে চেষ্টা করুন।

৬. হঠাৎ রেগে গিয়ে কপাল কুচকাবেন না। প্রতিদিন কপাল কুচকাতে থাকলে কম বয়সে ত্বকে ভাজ পড়তে শুরু করে।

৭. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। অন্তত সপ্তাহে পাঁচ দিন। উপরের এ সাতটি নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই আপনার ত্বক সুন্দর, সজীব ও আকর্ষণীয় থাকতে সহায়ক হবে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Tuesday, August 27, 2019

ব্যায়ামের জানা-অজানা উপকারীতা!

আমরা সবাই বলি ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করা উপকারী। কিন্তু কতটুকু উপকারী, তা অনেকেই জানি না। নিয়মিত ব্যায়াম করলে নানা রকম দীর্ঘ মেয়াদী রোগব্যাধি থেকে মুক্ত থাকা যায়, ওজন কমানো যায়, ভালো ঘুম হয় আর মানসিক প্রশান্তি আসে।


নিচে ব্যায়াম করার বেশ কিছু উপকারীতা আপনাদের সাথে শেয়ার করলামঃ

ব্যায়াম মনকে চাঙ্গা করেঃ ব্যায়াম করলে মস্তিস্ক থেকে নানা রকম রাসয়নিক পদার্থ নির্গত হয়। এসব রাসায়নিক উপাদান চিত্ত প্রফুল্ল করে এবং শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তির পাশাপাশি চেহারায় লাবণ্য ও ওজ্জ্বল্য বাড়ায়। যিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাকে বিষন্নতা কিংবা হতাশা সহজে হ্রাস করতে পারে না।

রোগ প্রতিরোধ করেঃ আধুনিক জীবনে শারীরিক পরিশ্রমের পরিমান কমে গিয়েছে, অর্থাৎ হাটাহাটির প্রয়োজন হয় না বললেই চলে আর আমাদের খাদ্যাভ্যাসও বদলে গিয়েছে। ফলে দিনে দিনে ক্রনিক রোগ ব্যাধি যেমনঃ হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, অস্থিক্ষয়, ক্যানসার ইত্যাদি প্রকোপ বহুগুণে বেড়েছে। নিয়মিত ব্যায়াম এগুলো প্রতিরোধ করে।

শরীরের বাড়তি ওজন কমায়ঃ বাড়তি ওজন কমাতে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। শারীরিক চর্চা করলে ক্যালরি খরচ হয়। এভাবে আমরা যতই ব্যায়াম করবো ততই আমাদের ক্যালরী খরচ হবে এবং যার ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

কর্মস্পৃহা বাড়ায়ঃ ব্যায়ামের ফলে আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অতিরিক্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবারাহ হয়। এর ফলে আমাদের হৃদযন্ত্র ও রক্তলালি সচল থাকে। এর ফলে সমস্ত শরীরে একটি সুস্থ প্রাণস্পন্দন ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। এটা আমাদের কর্মস্পৃহা বাড়ায়।

সুনিন্দ্রা আনেঃ যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তাদের জন্য ব্যায়াম অত্যান্ত উপকারী। ব্যায়াম অনিন্দ্র দুর করে, অতি নিদ্রা হ্রাস করে। অবশ্য একেবারে ঘুমানোর আগে ব্যায়াম করা উচিত নয়। কারণ ব্যায়ামের পরে মানসিক চাঙা ভাবের কারণে ঘুম আসা বিলম্বিত হতে পারে।

যৌন জীবনের জন্য উপকারীঃ যাদের যৌনজীবনে জড়তা কিংবা অনাগ্রহ এসেছে, তাদের জন্য ব্যায়াম অত্যান্ত উপকারী। নিয়মিত ব্যায়াম করলে যৌনস্পৃহা বাড়ে, যৌন মিলনের স্থায়ীত্বকাল বৃদ্ধি পায় এবং দাম্পত্য জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

ব্যায়ামের বিকল্পঃ যদি আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করার সময় না পান তাহলে নিয়মিত সালাত আদায় করুন। কারণ আমার জানা মতে, ব্যায়াম থেকে যে সব উপকারীতা পাওয়া যায় তার থেকে বেশী উপকারীতা পাওয়া যায় নিয়মিত সালাত আদায় করলে। আর তাছাড়া প্রত্যেক মুসলাম নর-নারীর উপর সালাত ফরজ।

সুতরাং বুঝায়ই যাচ্ছে যে সুস্থ দেহ ও মনের বিকাশের জন্য নিয়মিত ব্যায়াম কতখানি গুরুত্বপূর্ণ। তাই আসুন নিয়মিত সালাত আদায় করি এবং ব্যায়াম করি।


[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Wednesday, January 16, 2019

বৈদ্যুতিক শক!

মাঝে মধ্যে বাড়ির ছোটখাট বৈদ্যুতিক কাজ নিজেকে করতে হয়৷ বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে কখনো কখনো অসতর্কতাবশত কোনো দুর্ঘটনা হয়ে যেতে পারে৷


কেউ বিদ্যুস্পৃষ্ট হলে করণীয়ঃ
এমন বৈদ্যুতিক শকের ঘটনা যদি হঠাৎ ঘটে যায় তাহলে এ সময় ঘাবড়ে না গিয়ে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে।


এ সময় উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে সেই দুর্ঘটনাকবলিত ব্যক্তিকে আপনি রক্ষা করতে পারেন।

✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির গায়ে হাত দেওয়া যাবে না।
✬ বৈদ্যুতিকসুইচ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে৷


✬ সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলেশুকনো খবরের কাগজউলের কাপড়শুকনো কাঠের টুকরা অথবা রাবার দিয়ে বৈদ্যুতিক্‌স্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বৈদ্যুতিক তার থেকে ধাক্কা দিয়ে আলাদা করতে হবে৷
✬ ধাক্কা দেওয়া এবং সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে দ্রুত বৈদ্যুতিক অফিসে খবর দিতে হবে৷
✬ বৈদ্যুতিক্‌স্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে কৃত্রিম শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে যতক্ষণ না তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়৷ দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে৷
✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বিদ্যুতের উৎস থেকে সরাতে পারলে সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তিকে গরম দুধ ও গরম পানি খাওয়াতে হবে। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন দ্রুত স্বাভাবিক হবে।
✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির হৃদপিণ্ড যদি বন্ধ হয়ে যায় তবে তার বুকের ওপর জোরে জোরে চাপ দিতে হবে৷
✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির গলা, বুক ও কোমরের কাপড় ঢিলা করে দিতে হবে।
✬ বৈদ্যুতিকস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকলেও তাকে অন্তত এক ঘণ্টা চুপ করে শুয়ে বিশ্রাম নিতে হবে৷ 

রোগির বিদ্যুতায়িত হওয়ার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অবস্থা বেশি খারাপ হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হাসপাতালে নিতে হবে। এভাবে বৈদ্যুতিক শক খাওয়া ব্যক্তিকে সুস্থ্ করে তোলা সম্ভব।


সতর্কতাঃ

✬ ভেজা শরীরে বা হাতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ধরা যাবে না৷
✬ ভেজা জায়গায় দাঁড়িয়ে  বিদ্যুতের কাজ করা যাবে না৷
✬ বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় অবশ্যই রাবারের জুতা পরে নিতে হবে৷
✬ প্রয়োজনে বৈদ্যুতিক মেইন সুইচ বন্ধ করে কাজ করতে হবে৷
✬ খোলা তার এড়িয়ে চলুন, বর্ষায় জল জমে থাকা রাস্তার ভেতরে খালি পায়ে বা রাবার, স্পঞ্জ ভিন্ন অন্য উপাদানের জুতো পরে হাঁটাচলা করবেন না।
✬ বাড়ির সব ক’টি বৈদ্যুতিক তার ও আর্থিং ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখে নিন।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Wednesday, January 9, 2019

বুকে ব্যথা মানেই হার্টের সমস্যা নয়!!

হার্টের সমস্যায় বুকে ব্যথা হলে যাকে আমরা অ্যানজিনা পেইন বলে থাকি, এটা বুকের ঠিক মাঝখানে অনুভূত হয়, বাম পাশে নয়। হার্টে রক্তস্বল্পতার কারণে যে ব্যথা হয়, তা বুকের মাঝখান থেকে কখনও কখনও গলা, চোয়াল, পিঠের পেছনে এবং বাম বাহুতে ছড়িয়ে পড়ে। রোগী সাধারণত বুকে ব্যথার চেয়ে অস্ব্বস্তি বা কেউ বুকটা চেপে ধরেছে— এ কথা বেশি বলে থাকেন। ব্যথার পাশাপাশি শ্বাসকষ্টও হতে পারে।


হার্টের ব্যথার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, চলাফেরা, বিশেষ করে সিঁড়ি ভাঙতে গেলে ব্যথা তীব্রতর হতে থাকে এবং বিশ্রাম নিলে ব্যথা অনেকটা কমে আসে। টেনশন করলে কিংবা একবারে বেশি পরিমাণ খেলে, এমনকি ঠাণ্ডা বাতাসের কারণেও অনেকের এ ধরনের ব্যথা বাড়তে পারে। হার্টের সমস্যায় বুকে ব্যথার পাশাপাশি ঘাম হতে পারে, বমি বমি ভাব কিংবা বমি হতে পারে।

🏷 পেটের আলসার ও বুকে ব্যথাঃ
হাইপার এসিডিটি বা পেটের আলসার বা পেপটিক আলসারের সমস্যাকে সাধারণ মানুষ গ্যাস্ট্রিক বলে থাকেন। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায়ও বুকে ব্যথা হতে পারে। এ ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝবরাবর নিচের দিকে অনুভূত হয়। রোগের তীব্রতায় অনেক সময় তা পুরো বুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভাজাপোড়া খেলে, খালি পেটে থাকলে এ ধরনের ব্যথা আরও বেড়ে যায়। রেনিটিডিন বা ওমিপ্রাজল গ্রুপের ওষুধ খেলে এ জাতীয় ব্যথা কমে যায়। হার্টের ব্যথা কখনও এসব ওষুধে ভালো হয় না।

🏷 বুকের হাড় ও মাংসের সমস্যা এবং বুক ব্যথাঃ
বুকের হাড়ে সমস্যা হলে বুকে ব্যথা হতে পারে। বুকের আর্থ্রাইটিস, হাড়ের ইনফেকশন বা প্রদাহ হলে ব্যথা হয়। এ ছাড়া বুকের মাংসে আঘাত লাগলে বুকে ব্যথা হতে পারে। এ ধরনের ব্যথা নড়াচড়া করলে বাড়ে এবং ব্যথানাশক ওষুধ খেলে কমে। যারা খেলাধুলা করেন, ড্রাইভিং এবং ভারী কাজ করা যাদের পেশা, তাদের বুকে ব্যথা হতে পারে। যারা হঠাৎ ব্যায়াম শুরু করেন, প্রাথমিক অবস্থায় তাদেরও বুকে ব্যথা হতে পারে। এসবই বুকের হাড় ও মাংসের সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। বিশ্রাম নিলে, ব্যথার ওষুধ খেলে এ জাতীয় ব্যথা সেরে যায়।

🏷 খাদ্য নালির সমস্যা ও বুকে ব্যথাঃ
খাদ্য নালির সমস্যায়ও বুকে ব্যথা হতে পারে। যেমন- খাদ্য নালির ইনফেকশন, খাদ্য নালির স্পাজম ইত্যাদি কারণে বুকে ব্যথা হয়। চিত হয়ে শুয়ে থাকলে, খাওয়া ও পানি পান করার সময় এ ব্যথা বাড়তে পারে। এ ব্যথার ধরন অনেকটা রক্তস্বল্পতা জনিত বুকে ব্যথার মতোই এবং অনেক সময় ব্যায়াম করলে বেড়ে যেতে পারে।

🏷 শ্বাসনালির সমস্যা ও বুকে ব্যথাঃ
অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগে শ্বাসনালির স্পাজম হতে পারে। এ রোগে বুকে চাপ চাপ লাগে এবং বিশ্রাম নিলে কমে যায়। হার্টে রক্তস্বল্পতা জনিত ব্যথার সঙ্গে এ ব্যথার অনেক মিল আছে। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যথার পাশাপাশি কাশি, বুকে চিঁ চিঁ আওয়াজ হতে পারে। ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যা, যেমন_ নিউমোনিয়া, ফুসফুসে পানি ঢোকা বা যক্ষ্মা ও ক্যান্সার ইত্যাদি রোগেও বুকে ব্যথা হতে পারে।

🏷 দুশ্চিন্তার সঙ্গী বুকে ব্যথাঃ
যারা প্রায়ই টেনশনে ভোগেন, তারা সব সময় বুকে একটা চাপ অনুভব করেন। বিশ্রাম নিলে, রাতে ভালো ঘুম হলে এ ব্যথা কিছুটা কমে আসে। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে যতদূর সম্ভব দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করা উচিত। টেনশনের সবচেয়ে খারাপ দিক হলো, আগে থেকে হার্টের সমস্যা থাকলে টেনশনে তা আরও বেড়ে যায়। ছোট বাচ্চারা নিঃসঙ্গ অবস্থা, অনিশ্চয়তা, ভীতি বোধ, স্কুলভীতি, পরীক্ষাভীতি এসব কারণে বুকে ব্যথার কথা বলে থাকে।

আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা এখন অনেক বেড়েছে। তবে অতি সচেতনতা অনেক সময় বিড়ম্বনার কারণ হতে পারে। বুকে ব্যথাও এমন একটি বিষয়। অতি স্বাস্থ্য সচেতনতার কারণে সামান্য বুকে ব্যথায় আমরা বুঝে পাই না কী করব, কাকে দেখাব। মেডিসিন না হার্ট স্পেশালিস্ট, সবচেয়ে বড় স্পেশালিস্ট কে ইত্যাদি ভাবতে ভাবতে আমরা খেই হারিয়ে ফেলি। এরপর লোকজনের অনাবশ্যক বাড়তি উপদেশ তো আছেই। তবে বুকের ব্যথা একেবারে মামুলি বিষয় নয়। মাথায় পানি ঢেলে অথবা বুকে তেল মালিশ করে যে সমস্যাটি দূর হবে, তা-ও নয়। এ জন্য অযথা অস্থির না হয়ে সময় মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Thursday, January 3, 2019

মধুতেই ৭ জটিল সমস্যার সমাধান!!

নানা গুণের মধুর উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানি। গবেষণায় দেখা গেছে, মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি।


হৃদরোগ থেকে শুরু করে ওজন কমানো পর্যন্ত প্রায় সব কিছুতেই মধু-দারুচিনির মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকরী। জেনে নিতে পারেন, মধু খেলে যে ৭ জটিল সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারবেন।

১) হৃদরোগঃ হার্ট সুস্থ্য রাখার জন্য দারুচিনি ও মধুর পানির কোনও বিকল্প নেই। প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস মধু ও দারুচিনি মিশ্রিত পানি পান করলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। এই মিশ্রণ রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেবে।

২) কোলেস্টরলঃ এক কাপ চায়ের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে তিন টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এটি রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা অন্তত ১০ শতাংশ কমেয়ে দেবে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এই মিশ্রণ অত্যন্ত কার্যকর।

৩) পিত্ত থলিতে সংক্রমণঃ মধু-দারুচিনির মিশ্রণ পিত্ত থলির সংক্রমণ রোধ করতে সক্ষম। মধু দারুচিনিতে অ্যান্টি ব্যাক্টোরিয়াল উপাদান আছে, যা পিত্ত থলিকে বাইরের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে।

৪) বাত/আর্থারাইটিস-এর সমস্যাঃ একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মধু দারুচিনির পানি পান করার ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাতের ব্যথা কমে যায়। এক গ্লাস গরম পানিতে দুই টেবিল চামচ মধু আর এক টেবিল চামচ দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এই পানি প্রতিদিন নিয়ম করে সকালে ঘুম থেকে উঠে আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি আপনার বাতের ব্যথা কমিয়ে দেবে।

৫) চুল পড়া রোধঃ অলিভ অয়েলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু, ১ চা চামচ দারচিনির গুঁড়া মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এটি চুলের ফাঁকা জায়গায় লাগান (যেখান থেকে চুল পড়ে গেছে সেখানে)। ১৫ মিনিট পর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এটি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।

৬) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ দূর করতেঃ উষ্ণ গরম পানিতে মধু ও দারচিনি মেশান। প্রতিদিন সকালে এই মিশ্রণ পান করুন। এটি আপনার মুখের দুর্গন্ধ কাটাতে সাহায্য করবে।

৭) ওজন কমাতেঃ শরীরের বাড়তি ওজন কমাতেও মধু দারচিনির জুড়ি মেলা ভার। একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দারচিনি ও মধু খুব দ্রুত চর্বি কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন দারচিনি গুঁড়ো ও মধু দিয়ে ফোটানো এক গ্লাস পানি খালিপেটে পান করুন। এটি আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Wednesday, January 2, 2019

যেসব সবজিতে তাড়াতাড়ি লম্বা হয়!!

আমাদের শারীরিক বৃদ্ধির একটি নির্দিষ্ট বয়স থাকে। তবে উচ্চতা ঠিকমতো বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক খাওয়া দাওয়ার ভূমিকা রয়েছে। শরীর ঠিক মতো পুষ্টি না পেলে আপনার যতটুকু লম্বা হওয়ার উচিত, ততটুকু বৃদ্ধি নাও হতে পারেন। 

সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত আর মেয়েদের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এমন কিছু সবজি আছে, যেগুলি শরীরের বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক সবজিগুলোর মধ্যে ঢেঁড়স অন্যতম। ঢেঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

👉 শালগম অনেকেরই পছন্দের সবজি। এই শালগমই আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। শালগমে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন, এবং ফ্যাট। এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

👉 মটরশুঁটি ছোট বড় সবাই বেশ পছন্দ করেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। তবে শুকনো মটরশুঁটিতে এই সকল উপাদান উপস্থিতি থাকে না।

👉 বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। যা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

👉 পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলি উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে। নিয়মিত পালং শাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

👉 সয়াবিনের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যার টিস্যু ও হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিন ৫০ গ্রাম সয়াবিন খান আর দেখুন আপানার উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই।

👉 উচ্চতা বৃদ্ধিতে ব্রোকলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে ব্রোকলি পছন্দ করেন না। কিন্তু এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Tuesday, January 1, 2019

কিডনির ক্ষতি হয় যেসব অভ্যাসে!!

কিডনি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিদিন সারা বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।


দৈনন্দিন জীবনে কিছু কিছু অভ্যাসের কারণে কিডনি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন-

১. অ্যালকোহল পান কিডনির জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে কিডনির কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। এটা লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক রোগের জন্যও দায়ী। এ কারণে সুস্থ থাকতে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান থেকে দূরে থাকুন।

২. কিডনির সুরক্ষার জন্য পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করেন না। এতে কিডনির ওপর চাপ পড়ে। এটি তখন ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করা জরুরি।

৩. অনেকের বাড়তি লবণ খাওয়ার অভ্যাস আছে। খেতে বসে প্লেটে আলাদা করে লবণ নিয়ে খান অনেকেই। এটি কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে। কিডনি এই অতিরিক্ত সোডিয়াম দেহ থেকে নিষ্কাশন করতে পারে না। ফলে বাড়তি সোডিয়ামটুকু রয়ে যায় কিডনিতেই। তখন কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৪. অনেকে সামান্য ব্যথা পেলেই ব্যথানাশক ওষুধ খান। এটি কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর । অতিরিক্ত মাত্রায় এই ধরণের ব্যথানাশক ওষুধ সেবনের কারণে কিডনির কোষগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘন ঘন ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়।

৫. অনেকের মাংসের প্রতি আসক্তি রয়েছে। শাকসবজি ও মাছ বাদ দিয়ে শুধু মাংস খেতেই পছন্দ করেন। এ ধরনের অভ্যাস কিডনির জন্য ক্ষতিকর। কারণ কিডনির সুরক্ষার জন্য মাছ ও শাকসবজি অনেক বেশি জরুরি। অতিরিক্ত মাংস খাওয়া কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৬. অনেকে বাড়ির বাইরে বের হলে প্রস্রাব আটকে রাখেন। দীর্ঘক্ষন মূত্রাশয় পূর্ণ করে রাখলে শরীরে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। এ ধরনের অভ্যাস কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্যধন্যবাদ।]

Friday, September 14, 2018

ছাদের উপর মোবাইল টাওয়ার স্থাপনা মারাত্মক ক্ষতিকর!

বর্ণ, গন্ধ, শব্দহীন এবং অদৃশ্য মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন বা তেজস্ক্রিয় নির্গত বিকিরণ মানব দেহ ও জীব জগতের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর।


বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের থেকে কমপক্ষে ৫ ফুট দূরে মোবাইল রাখতে হবে। রাতে ঘুমানোর সময় মোবাইল কমপক্ষে ৭ ফুট দূরে রাখতে হবে।

আবাসিক এলাকা থেকে দূরে লোকালয়ের বাইরে কমপক্ষে ৪০ তলা ভবন সমান উঁচুতে মোবাইলের টাওয়ার স্থাপন করতে হবে।

বাস্তবে আমরা কী দেখছি?

আমার আপনার বাচ্চাদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদের উপর কিংবা বাসার ছাদে মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা হচ্ছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে আবাসিক এলাকা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে অনেক দূরে এবং অনেক উঁচুতে মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা হয়। অথচ আমাদের দেশে মোবাইল ফোনের ৯০ শতাংশ টাওয়ার লোকালয়, বাড়ি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাদে স্থাপন করা হয়েছে।

এর প্রতিক্রিয়া হিসাবে আমরা অলংকৃত হচ্ছি আমাদের শিশুরা ২০ বছর পরে বিকিরণের প্রভাবে লিউকেমিয়া, ব্রেন ক্যান্সার, স্মৃতিশক্তি হারানো সহ মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনায়, একটানা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন গ্রহণ করলে স্কিন ক্যান্সার সহ ভয়াবহ রোগের আশংকা থাকে।

তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বিনয়ের সাথে আবেদন রাখছি এসব ভয়ানক স্থাপনা যেন নিরাপদ দূরুত্বে স্থাপনকরে আমাদেরকে এবং আমদের দেশের উজ্জল ভবিষ্যত প্রজন্মকে এসব ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Tuesday, August 21, 2018

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ও আমাদের সকলের করণীয়…

:) ঈদ-উল-আযহার দিন ১৩টা সুন্নত কাজ রয়েছেঃ-

১* ভোরে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠা ।
২* মেসওয়াক করা ।
৩* গোছল করা ।
৪* যথা-সাধ্য উত্তম পোষাক পরা।
৫* শরী’আত সম্মতভাবে সাজ-সজ্জা করা ।
৬* সুগন্ধি বা খুশবু লাগানো ।
৭* ঈদ গাহে যাবার আগে কিছু না খাওয়া।
৮* আগে আগে ঈদগাহে যাওয়া।
৯* ঈদগাহেই ঈদের নামায পড়া।
১০* পায়ে হেটে ঈদগাহে যাওয়া।
১১* যাবার সময় তাকবীর জোরে জোরে বলতে বলতে যাওয়া ।
“ আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা-ইলাহা ইল্লালাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার অলিল্লাহিল হ্বামদ”
১২* এক রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে যাওয়া, অন্য রাস্তা দিয়ে প্রত্যাবর্তন করা।
১৩* ঈদুল ফিতরের তুলনায় আযহার নামায সকাল সকাল পড়া।

** যেখানে ঈদের নামায আদায় হবে সেখানে আগে পরে নফল নামায পরা ঠিক না।


:) কোরবানীর পশু জবেহ করা প্রসংগেঃ

• নিজ পশু নিজেই জবেহ করা উত্তম। না পারলে জবেহের সময় সামনে থাকা।
• পশুকে কিবলামুখী করে শুইয়ে জবেহ করা, জবাই কারীও কিবলাহ মুখী হওয়া।
• ধারালো ছুরি দ্বারা জবাই করা।
• জবাই করার পর পশুটি সম্পুর্ণ নিস্তেজ হওয়ার পর বাকী কাজ শুরু করা, আগে না।
• জবাই করার পুর্বে পানি খাওয়ানো বেশী পরিমাণে, প্রাণীকে ক্ষুধার্থ রাখা জুলুম।
• ঈদের নামাযের পুর্বে কোরবানী না করা।
• গোশত দিয়ে কোন পারিশ্রমিক দেয়া যায়েয নেই।
• গোশত তিন ভাগ করে ১. নিজে ২. আত্বীয়-স্বজন ৩. গরীব-মিসকীন দের দেয়া উত্তম।


:) পরিবেশগত সতর্কতাঃ
• আমাদের পরিবেশ ও চার-পাশ আমাদের পরিষ্কার রাখাই দায়িত্ব।
• অন্যের চলাচলে কষ্ট যাতে না হয় খেয়াল রাখা।
• জবেহ করার আগেই মাথার কাছে গর্ত করে নেওয়া, যাতে রক্ত ওখানে গরিয়ে যায়।
• সকল বজ্র ঐ গর্তে ফেলতে হবে, যাতে দুর্ঘন্ধ না ছড়ায়। আমার পশুর কোরবানীর বজ্রে যাতে অন্য কারো কষ্ট না হয়।
• ছুরি-চাপাতি ব্যবহারে সতর্ক হোন। বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন।
• চামড়া কাটতে দক্ষ ব্যক্তির সাহায্য নিন, অন্যথায় চামড়ার গুনগত মান নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
• ছুরি-চাকু জীবানু মুক্ত করে নিন।
• গোশত কাটতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন।

Monday, October 16, 2017

অন্তঃসত্বা অবস্থায় শাররীক মিলন উচিৎ-অনুচিৎ কতটা বিপদজনক?

সবছে বেশি সংখ্যক গর্ভবতী নারীর মনে প্রশ্ন থাকে “অন্তঃসত্বা অবস্থায় কি শাররীক মিলন করা যায়?” উত্তর প্রায় সবসময়/বেশিরভাগ নারীর জন্য “হ্যাঁ”। যদি আপনার গর্ভকালীন সময় স্বাভাবিক ভাবে চলমান থাকে তাহলে আপনি সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায়ও শাররীক মিলন করতে পারেন। এবং আপনার স্বামী যতদিন পর্যন্ত মানসিক বাঁধায় না থাকেন ততদিন বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে শাররীক মিলন করতে পারেন। যাইহোক, অনেকগুলো কারন আছে যার ফলে আপনি গর্ভকালীন সময়ের নির্দিষ্ট কিছু সময়ব্যপ্তিতে শাররীক মিলন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।


কি কি কারনে গর্ভকালীন সময় যৌনমিলন থেকে বিরত থাকতে হবে?

কোন কারনে যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরন হলেঃ গর্ভকালীন সময়ে অল্প কিংবা বেশি রক্তক্ষরন পরিলক্ষিত হলে শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রাক প্রসব বেদনাঃ বীর্যের সংশ্চর্ষে প্রোস্টাগ্লেনডিনস্ সংকুচিত হবার সম্ভাবনা থাকে যা প্রাক-প্রসব-বেদনাকে ঝামেলাপূর্ণ করে তুলতে পারে।
আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার যৌন-সংক্রামন ব্যাধি থাকলে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।
জরায়ুর গলদেশে সমস্যা থাকলেঃ যদি আপনার জরায়ুর মুখ অকালে খুলতে শুরু করে তাহলে শাররীক মিলন করলে রোগ সংক্রমনের সমুহ সম্ভাবনা থাকে।
গর্ভের ফুল/অমরা সমস্যায় থাকলেঃ যদি গর্ভের ফুল/অমরা জরায়ুমুখ আংশিক কিংবা সম্পুর্নরূপে ঢেকে ফেলে তাহলে শাররীক মিলনের ফলে রক্তপাত এবং প্রাক প্রসব বেদনা শুরু হয়ে যেতে পারে।
যদি আপনার ডাক্তার আপানাকে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলে তাহলে খুজে বের করুন ডাক্তার কি বলতে চেয়েছে? ডাক্তার কি শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলেছে নাকি যৌন উত্তেজনা/তৃপ্তি থেকে বিরত থাকতে বলেছে? আর যদি ডাক্তার বারন করে তাহলে অবশ্যই জেনে নিবেন – কত সময়ের জন্য বারন করেছেন? উদাহরন স্বরূপঃ অনেক নারীর গর্ভধারনের প্রাথমিক ধাপে (প্রথম তিনমাস সময়ে) যদি অল্প পরিমান রক্তক্ষরন হয় তাহলে ডাক্তার বলেন শেষ বার রক্তক্ষরনের পর কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময়কাল মিলন/অন্যকোন ভাবে যৌন তৃপ্তি থেকে বিরত থাকেন।

গর্ভবতী অবস্থায় নারীর জন্য আরামদায়ক যৌন আসন ভঙ্গি সমুহঃ

গর্ভকালীন সময় অন্য সময় কালের মত আসন ভঙ্গিতে শাররীক মিলন করা যায়না। এটি মা এবং সন্তান উভয়ের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে। তাই এই সময়কালে যৌন আসন সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরী।

নারী উপরেঃ এ আসনে নারীর নিয়ন্ত্রন থাকে কত গভীরতায় লিঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হবে। এ পদ্ধতিতে বেশিরভাগ কার্যক্রম নারী নিজের ইচ্ছে/সুবিধা মত করতে পারেন। এই ভঙ্গিতে গর্ভের পুরো সময়কাল এমনকি শেষ সময়েও নারী অনেক কম ঝুকিতে থাকেন।

স্পুনিং / একপাশে কাত হয়ে শুয়ে মিলনঃ এ আসনে নারী হাটেু ভেঙ্গে পাশে কাত হয়ে শুবেন এবং স্বামী স্ত্রীর পিছেনে থেকে শাররীক মিলন করবেন। স্পুনিং ভাল ভাবে কাজ করে যদি পুরুষ নারীর ঊরূর মাঝে দিয়ে লিঙ্গ সঞ্চালন করেন। এ পদ্ধতিতে তলপেটে কোন চাপ পড়েনা এবং আস্তে আস্তে মিলন করার সুবিদা থাকে যা গর্ভবতীর জন্য জরুরী।

হাটু এবং হাতে ভরঃ এই ভঙ্গিটি দেখতে হামাগুড়ি দিয়ে হাটার সময় শরীরের যে রকম আকার হয় সেরকম। এই ভঙ্গিটিও গর্ভবতী নারীর জন্য ভাল – এতে পেটে কোন প্রকার চাপ পড়েনা।

অনেক বিবাহিত যুগল এই ভেবে উদ্বিগ্ন থাকেন যে – গর্ভবতী অবস্থায় শাররীক মিলন করলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে, প্রধানতঃ গর্ভধারনের প্রথম তিন মাস সময়কালে। সাধারনত প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রুন নষ্ট হওয়া ক্রোমোজোম অস্বাভাবিকতা অথবা নিষিক্ত ডিম্বানু ভ্রুনে রূপান্তরিত হবার সময়কালে অন্যান্য সমস্যার সাথে সম্পর্কিত – শাররীক মিলনের ফলে ভ্রুন নষ্ট হবার ধারনাটি ভুল।

[ আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য ]

Tuesday, April 18, 2017

বুকের দুধ কম হওয়ার কারন জেনে নিন !

বুকের দুধ খাওয়াতে বললেই মা-দের একটাই অভিযোগ, বুকে দুধ নাই, দুধ পায় না। আসুন আজ জেনে নেই কি কি কারনে বুকে দুধ কমে যেতে পারে কিংবা তৈরি না হতে পারে।



১। মা যদি অপুষ্টিতে ভোগে। আমাদের দেশে গর্ভবতী মায়েদের খাবার নিয়ে নানান রকম কুসংস্কার আছে। গর্ভাবস্থায় ও দুগ্ধদানকালে মাকে পুষ্টিকর খাবার, একটু বেশি খাবার দিতে হবে।

২। বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াতে মায়ের অনিচ্ছা। বাচ্চা বুকের দুধ টানলে সেই উত্তেজনা মায়ের শরীরে দুধ তৈরির প্রক্রিয়া চালু করে দেয়। বুকের দুধ তৈরির ব্যাপারে মাকে অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী হতে হবে।

৩। সঠিক পদ্বতি এবং অবস্থানে বাচ্চাকে না খাওয়ালে। নির্দিষ্ট পদ্বতি এবং অবস্থানে বাচ্চাখাওয়ার সময় আরাম ও সচ্ছন্দবোধ করে।উল্টাপাল্টা হলে বাচ্চা খেতে পারে না এবং স্তনেব্যাথা, স্তন ফেটে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হয়।

৪। উদ্বেগ বা পারিবারিক অশান্তি। দুশ্চিন্তা,ভয়ভীতি এবং কুসংস্কার। মায়ের ঘুম ঠিক মত নাহওয়া।

৫। ফিডারে করে খাওয়ালে কিংবা চুষনি চুষতে দিলে।নিপল কফিউসন হবে।

৬। কৌটার দুধ (ফর্মুলা) খাওয়ালে। কৌটার দুধ বুকের দুধের চেয়ে বেশি মিষ্টি, তাই বুকের দুধ আর টানবেনা। মিষ্টি পেলে কি আর কেউ তিতা খায়!

৭। মায়ের বড় কোন অসুখ এবং কিছু কিছু ওষুধের কারনে বুকের দুধ কমে যেতে পারে।

৮। মায়ের বুকে দুধ তৈরি হওয়া একটা ‘ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাই সিস্টেম’ অনুসরণ করে। অর্থাৎ শিশু যত দুধ টানবে, তত মায়ের মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি উদ্দীপ্ত হয়ে বেশি বেশি প্রলেকটিন হরমোন তৈরি করবে। তত বেশি দুধ উৎপাদিত হবে। বুকের দুধ তৈরির একমাত্র উদ্দীপক বা স্টিমুলাস হলো শিশুর দুধ টানা। তাই যে মায়েরা একেবারে শুরু থেকেই বারবার দুধ দেননি, তাঁদের এই উৎপাদনপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

৯। বুকের দুধ খাওয়ানোর ভুল পদ্ধতিও দুধ তৈরির প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়। বিশেষ করে নতুন মায়েরা এই সমস্যায় ভোগেন। দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুর মাথা ও কাঁধ সমান্তরালে থাকবে, বাঁকা হবে না, দুধের বোঁটার চারপাশে এক ইঞ্চি পর্যন্ত পুরোটা শিশুর মুখের ভেতর ঢুকিয়ে দিতে হবে।

১০। অনেক সময় মা ভাবেন যে দুধ কম হচ্ছে, কিন্তু আসলে তা ঠিক নয়। লক্ষ রাখুন, শিশু সপ্রতিভ আছে কি না, ওজন বাড়ছে কি না। নবজাতক শিশু দিনে সাত-আটবার প্রস্রাব করে এবং দুই-তিনবার মলত্যাগ করে। দুধ খাওয়ার সময় খেয়াল করুন দুধ গিলে ফেলার শব্দ হচ্ছে কি না বা ঠোঁটের কোণে মুখের ভেতর দুধ দেখা যাচ্ছে কি না। অনেক সময় শিশু দীর্ঘক্ষণ ঘুমিয়ে থাকে, এই সময়ও তাকে দুধ দিতে হবে। প্রয়োজনে কানের পেছনে বা পায়ের নিচে সুড়সুড়ি দিয়ে জাগাতে হবে। যথেষ্ট দুধ তৈরি করতে হলে দিনে অন্তত আট থেকে ১০ বার (দিনের বেলা দুই ঘণ্টা পরপর ও রাতে ৪ ঘণ্টা পরপর) দুধ দিতে হবে।


[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Thursday, March 3, 2016

গরম পানি পানের অবিশ্বাস্য ১২টি উপকারিতা!

গরম পানি আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে। আসুন আমরা জেনে নেই গরম পানি আমাদের কী ধরনের উপকারে আসে।


১. ওজন কমবে গরম পানি শরীরের বিপাক ক্রিয়া খুব ভালভাবে সম্পন্ন করে। যার ফলে বাড়তি মেদ কমবে। তবে আরো বেশি কাজ দিবে যদি সকালে খালি পেটে গরম পানির সাথে লেবু মিশ্রিত করে পান করেন। এটা বডি ফ্যাট ভাঙতে সাহায্য করবে।
২. গলা ও নাসারন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবে ঠাণ্ডা লাগা, কফ জমে যাওয়া এবং গলা ব্যাথায় গরম পানি খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটা কফ তরল করে বের করে দেয়। গলা ব্যথা কমায়। এছাড়া নাসারন্দ্রের পথ পরিষ্কার রাখে।
৩. মাসিক বাধা দূর করে গরম পানি মেয়েদের মাসিকের সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে। এটা পেটের পেশীকে শান্ত ও কোমল করে। যার ফলে মাসিকের সমস্যা দূর হয়।
৪. শরীরের বর্জ্য বের করে দেয় গরম পানি পান করলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ঘাম ঝরবে। ঘামের সাথেই শরীরের অনেক ধরনের বর্জ্য বের হয়ে যাবে। এতে শরীর সুস্থ্য থাকবে।
৫. অকালে বয়সের ছাপ দূর করবে শরীরের বর্জ্য বের হতে না পারলে ত্বকের কোষ নষ্ট হয়। ফলে অকালে বয়সের ছাপ পড়ে। গরম পানি এই নষ্ট কোষগুলোকে ঠিক করে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। ফলে ত্বক কোমল হয় এবং বয়সের ছাপ দূর হয়।
৬. ব্রণ ও ফুস্কুড়ি দূর করে গরম পানি বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দিয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখে। এতে ব্রণ ও ফুস্কুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা কমে। তাই যারা ব্রণের সমস্যায় কাতর, তাদের উচিত গরম পানি পান করা।
৭. চুলের স্বাস্থ্য এবং জীবনীশক্তি গরম পানি চুলের গোড়ায় থাকা স্নায়ু কার্যকর করে চুল শক্ত করে। ফলে চুল নরম ও উজ্জ্বল থাকে। এটি ফিরে পায় স্বাভাবিক জীবনীশক্তি।
৮. চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে চুলের গোড়ার স্নায়ু সক্রিয় থাকায় চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। গরম পানি প্রতিদিনকার কার্যক্রম চালু রেখে চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।
৯. খুশকি দূর করে গরম পানি মাথার খুলি জলযোজিত করে মাথায় খুশকি হওয়া রোধ করে। অনেক সময় শ্যাম্পু ব্যবহার করেও ফল হয় না, তবে নিয়মিত গরম পানি পান করলে সুফল পাওয়া যাবে নিশ্চিত।
১০. রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে নার্ভতন্ত্র সক্রিয় রাখে গরম পানি পানের আরেকটি উপকারিতা হল এটা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। ফলে পেশী ও স্নায়ু সক্রিয় থাকে। পাশাপাশি বাড়তি চর্বি ভেঙ্গে ফেলায় এগুলো যথেষ্ট উন্নত হয়।
১১. হজম ভাল হয় খাদ্য গ্রহণের পর ঠাণ্ডা পানি পান করলে খাদ্যের সাথে থাকা চর্বিগুলো জমিয়ে ফেলে। এতে পাকস্থলীর গাত্রে চর্বির স্তর জমতে থাকে। যা শেষ পর্যন্ত ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু গরম পানি তার উল্টোটা করে। এটা চর্বি ভেঙ্গে তা হজম বা নিঃসরণে সহায়তা করে। ফলে হজম প্রক্রিয়া ভাল হয়।
১২. রেচন প্রক্রিয়া ভাল হয় ভাল হজম হলে ভাল রেচনও হবে। গরম পানি নাড়িভুঁড়ির গাত্র সক্রিয় রাখে। ফলে রেচন নিয়মিত ও স্বাভাবিক হয়।



[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Monday, January 25, 2016

সাপে কাটা!

সর্পদংশন বা সাপে কাটা একটি অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা৷ দংশিত ব্যক্তি এরকম পরিস্থিতির জন্য মোটেই প্রস্তুত থাকেন না৷ বাংলাদেশের গ্রামগুলোয় সর্পদংশন প্রায়ই সাপে কাটার ঘটনা ঘটে থাকে৷ বেশিরভাগ জনসাধারণের সাপ সম্পর্কে অযথা ভীতি রয়েছে৷ দংশনকারী সাপ বিষধর হলে মারাত্মক প্রতিক্রয়া হতে পারে৷ সর্পদংশনে মানুষের মৃতু্য হার অনেক৷


বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সাপসমূহঃ
বাংলাদেশে মাত্র ৬ প্রজাতির বিষধর সাপ আছে-
 কোবরা (গোখরা)
 কেউটে (ক্রেইট)
 চন্দ্রবোড়া (রাসেলস ভাইপার)
 সামুদ্রিক সাপ (সি স্নেক)
 রাজ গোখরা (কিং কোবরা)

লক্ষণঃ
 দংশিত স্থানে ব্যথা নাও থাকতে পারে তবে ক্ষতস্থান ফুলে গেলে কিংবা পঁচে গেলে ব্যথা হতে পারে৷
 রোগীর ঘুমঘুম ভাব হতে পারে ও দুর্বলতা অনুভব করতে পারে৷
 প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে৷ চোখের মাংসপেশী ও অক্ষিগোলকের মাংসপেশীতে প্যারালাইসিস হলে রোগীর চোখের পাতা ভারী হয়ে যায়, চোখ বুঁজে আসে, চোখে ঝাপসা দেখে৷
 জিহ্বা জড়িয়ে আসা, কথা বলতে অসুবিধা হওয়া, চোয়াল ও তালু অবশ হওয়ার কারণে ঢোক গিলতে অসুবিধা, হাঁটতে অসুবিধা হওয়া, হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া এমন কি মাংসপেশীও অবশ হতে পারে৷ শ্বাস-প্রশ্বাসের অসুবিধা হয়ে রোগী নীল বর্ণ হয়ে যেতে পারে৷

প্রাথমিক চিকিৎসাঃ
 রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে ৷ বেশিরভাগ রোগী মনে করেন মৃতু্য অবশ্যম্ভাবী৷ তাই জরুরি ভিত্তিতে রোগীকে সাহস দেয়া ও প্রাথমিক চিকিত্‌সা দিয়ে যথাযথ স্থানে/হাসপাতালে চিকিত্‌সার জন্য প্রেরণ করলে রোগী বিশ্বাস ও সাহস ফিরে পাবে৷
 দংশিত স্থান কিছুতেই কাটা উচিত নয়৷ কেবল ভিজে কাপড় দিয়ে কিংবা জীবাণুনাশক লোশন দিয়ে ক্ষতস্থান মুছে দিতে হবে৷
 দংশনকৃত স্থান থেকে ভিতরের দিকে সাথে সাথে কেবল একটি গিঁট গামছা বা কাপড় দিয়ে (পায়ে দংশন করলে রানে, হাতে দংশন করলে কনুইয়ের উপরে গিঁট) এমনভাবে দিতে হবে যেন খুব আটসঁাট বা ঢিলে কোনটাই না হয় (বলা হয় যেন একটি আঙুল একটু চেষ্টায় ভেতরে যেতে পারে)৷
 সাপে কাটার স্থান বেশি নড়াচড়া করা যাবে না কারণ মাংসপেশী সংকোচন করলে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে৷
 রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণ করতে হবে কোনোক্রমেই রোগীকে হঁাটতে দেওয়া যাবে না৷ রোগীকে কঁাধে, খাটিয়ায় বা দোলনায় করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে৷ (সম্ভব হলে মৃত সাপ এর প্রজাতি ও বিষধর কিনা তা নিরূপণের জন্য সংগে নিতে হবে৷ সাবধান! সাপ মৃত কিনা ঠিকভাবে দেখে নিন৷ কারণ সাপ মারা যাওয়ার ভান করতে পারে এবং পরে আবার সাপ-দংশন করতে পারে৷)
 জরুরি কোনো উপসর্গ না থাকলে বিষদাতের চিহ্ন পরীক্ষার জন্য দংশিত স্থান পরীক্ষা করতে হবে৷ বিষ দাঁতের দাগ প্রায় আধা ইঞ্চি ফাকে দুটি খোচা দেয়ার চিহ্ন হিসাবে অথবা কেবল আচড়ের দাগ হিসেবে দেখা যেতে পারে৷ দুটো বিষদাঁতের চিহ্ন পরিষ্কারভাবে থাকলে খুব সম্ভবত সাপটি বিষধর, তবু বিষদাঁতের চিহ্ন না থাকলে যে সাপটি বিষধর নয় তা বলা যাবে না৷ 
 কামড়ানোর স্থানে চামড়ার রঙের পরিবর্তন, কালচে হওয়া, ফুলে যাওয়া, ফোসকা পড়া, পচন ধরা ইত্যাদি হতে পারে- আবার কোনো পরিবর্তন নাও থাকতে পারে৷ আবার প্রাথমিক চিকিত্‌সার ফলেও স্থানীয় পরিবর্তন হতে পারে৷

কুসংস্কারঃ
আমাদের দেশে অনেক ক্ষতিকর প্রাথমিক চিকিত্‌সা প্রচলিত যা ওঝা ও সর্প-চিকিৎসকরা প্রদান করে থাকেন৷ যা থেকে অনেক সময় রক্তপাত, ধনুষ্টংকার ও পঁচনসহ অন্যান্য অসুবিধা হয়৷
 দংশিত অঙ্গ ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে রক্তক্ষরণ করানো৷
 একাধিক স্থানে খুব শক্ত করে গিঁট দেয়া৷
 কার্বলিক এসিড জাতীয় রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে দংশিত জায়গা পোড়ানো
 গাছ-গাছড়ার রস দিয়ে প্রলেপ দেয়া৷
 বমি করানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহার৷
 কানের ভেতর বা চোখের ভেতর কিছু ঢেলে দেয়৷
এসব কখনও করা উচিত নয় বরং হাসপাতালে বা ডাক্তারের সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে৷

সর্পদংশন প্রতিরোধঃ
 বেশিরভাগ সর্পদংশন পায়ে হয়ে থাকে৷ কাজেই সাপ থাকতে পারে এমন জায়গায় হাটার সময় বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে জুতা, লাইট ইত্যাদি সঙ্গে রাখতে হবে৷
 সাপ সামনে পড়ে গেলে ধীর-স্থির হয়ে দাড়িয়ে থাকা উচিত্‌, সাপ প্ররোচনা ছাড়া দংশন করে না৷ (শুধু সাপ নয় পৃথিবীতে কোনো প্রাণীই অনর্থক ক্ষতি করে না)
 দুর্ভাগ্যবশত যদি সাপ দংশন করে থাকে, শান্ত থেকে কারো সাহায্য নিতে হবে৷ সর্পদংশনের পর কখনো দৌড়ানো উচিত্‌ নয়, এতে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে৷

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]