Thursday, January 3, 2019
মধুতেই ৭ জটিল সমস্যার সমাধান!!
Wednesday, January 2, 2019
যেসব সবজিতে তাড়াতাড়ি লম্বা হয়!!
আমাদের শারীরিক বৃদ্ধির একটি নির্দিষ্ট বয়স থাকে। তবে উচ্চতা ঠিকমতো বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক খাওয়া দাওয়ার ভূমিকা রয়েছে। শরীর ঠিক মতো পুষ্টি না পেলে আপনার যতটুকু লম্বা হওয়ার উচিত, ততটুকু বৃদ্ধি নাও হতে পারেন।
সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত আর মেয়েদের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এমন কিছু সবজি আছে, যেগুলি শরীরের বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক সবজিগুলোর মধ্যে ঢেঁড়স অন্যতম। ঢেঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।
👉 শালগম অনেকেরই পছন্দের সবজি। এই শালগমই আপনাকে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। শালগমে আছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, প্রোটিন, এবং ফ্যাট। এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
👉 মটরশুঁটি ছোট বড় সবাই বেশ পছন্দ করেন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। তবে শুকনো মটরশুঁটিতে এই সকল উপাদান উপস্থিতি থাকে না।
👉 বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। যা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।
👉 পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলি উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে। নিয়মিত পালং শাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
👉 সয়াবিনের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে যার টিস্যু ও হাড় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিন ৫০ গ্রাম সয়াবিন খান আর দেখুন আপানার উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই।
👉 উচ্চতা বৃদ্ধিতে ব্রোকলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামান্য তেতো স্বাদের কারণে অনেকে ব্রোকলি পছন্দ করেন না। কিন্তু এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।
[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]
Tuesday, January 1, 2019
কিডনির ক্ষতি হয় যেসব অভ্যাসে!!
কিডনি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রতিদিন সারা বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
দৈনন্দিন জীবনে কিছু কিছু অভ্যাসের কারণে কিডনি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেমন-
১. অ্যালকোহল পান কিডনির জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে কিডনির কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। এটা লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক রোগের জন্যও দায়ী। এ কারণে সুস্থ থাকতে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান থেকে দূরে থাকুন।
২. কিডনির সুরক্ষার জন্য পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করেন না। এতে কিডনির ওপর চাপ পড়ে। এটি তখন ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করা জরুরি।
৩. অনেকের বাড়তি লবণ খাওয়ার অভ্যাস আছে। খেতে বসে প্লেটে আলাদা করে লবণ নিয়ে খান অনেকেই। এটি কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে। কিডনি এই অতিরিক্ত সোডিয়াম দেহ থেকে নিষ্কাশন করতে পারে না। ফলে বাড়তি সোডিয়ামটুকু রয়ে যায় কিডনিতেই। তখন কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৪. অনেকে সামান্য ব্যথা পেলেই ব্যথানাশক ওষুধ খান। এটি কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর । অতিরিক্ত মাত্রায় এই ধরণের ব্যথানাশক ওষুধ সেবনের কারণে কিডনির কোষগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘন ঘন ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়।
৫. অনেকের মাংসের প্রতি আসক্তি রয়েছে। শাকসবজি ও মাছ বাদ দিয়ে শুধু মাংস খেতেই পছন্দ করেন। এ ধরনের অভ্যাস কিডনির জন্য ক্ষতিকর। কারণ কিডনির সুরক্ষার জন্য মাছ ও শাকসবজি অনেক বেশি জরুরি। অতিরিক্ত মাংস খাওয়া কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
৬. অনেকে বাড়ির বাইরে বের হলে প্রস্রাব আটকে রাখেন। দীর্ঘক্ষন মূত্রাশয় পূর্ণ করে রাখলে শরীরে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। এ ধরনের অভ্যাস কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে।
[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]
Friday, September 14, 2018
ছাদের উপর মোবাইল টাওয়ার স্থাপনা মারাত্মক ক্ষতিকর!
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের থেকে কমপক্ষে ৫ ফুট দূরে মোবাইল রাখতে হবে। রাতে ঘুমানোর সময় মোবাইল কমপক্ষে ৭ ফুট দূরে রাখতে হবে।
আবাসিক এলাকা থেকে দূরে লোকালয়ের বাইরে কমপক্ষে ৪০ তলা ভবন সমান উঁচুতে মোবাইলের টাওয়ার স্থাপন করতে হবে।
বাস্তবে আমরা কী দেখছি?
আমার আপনার বাচ্চাদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদের উপর কিংবা বাসার ছাদে মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা হচ্ছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে আবাসিক এলাকা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে অনেক দূরে এবং অনেক উঁচুতে মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা হয়। অথচ আমাদের দেশে মোবাইল ফোনের ৯০ শতাংশ টাওয়ার লোকালয়, বাড়ি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাদে স্থাপন করা হয়েছে।
এর প্রতিক্রিয়া হিসাবে আমরা অলংকৃত হচ্ছি আমাদের শিশুরা ২০ বছর পরে বিকিরণের প্রভাবে লিউকেমিয়া, ব্রেন ক্যান্সার, স্মৃতিশক্তি হারানো সহ মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনায়, একটানা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন গ্রহণ করলে স্কিন ক্যান্সার সহ ভয়াবহ রোগের আশংকা থাকে।
তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বিনয়ের সাথে আবেদন রাখছি এসব ভয়ানক স্থাপনা যেন নিরাপদ দূরুত্বে স্থাপনকরে আমাদেরকে এবং আমদের দেশের উজ্জল ভবিষ্যত প্রজন্মকে এসব ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
Tuesday, August 21, 2018
পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ও আমাদের সকলের করণীয়…
২* মেসওয়াক করা ।
৩* গোছল করা ।
৪* যথা-সাধ্য উত্তম পোষাক পরা।
৫* শরী’আত সম্মতভাবে সাজ-সজ্জা করা ।
৬* সুগন্ধি বা খুশবু লাগানো ।
৭* ঈদ গাহে যাবার আগে কিছু না খাওয়া।
৮* আগে আগে ঈদগাহে যাওয়া।
৯* ঈদগাহেই ঈদের নামায পড়া।
১০* পায়ে হেটে ঈদগাহে যাওয়া।
১১* যাবার সময় তাকবীর জোরে জোরে বলতে বলতে যাওয়া ।
“ আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা-ইলাহা ইল্লালাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার অলিল্লাহিল হ্বামদ”
১২* এক রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে যাওয়া, অন্য রাস্তা দিয়ে প্রত্যাবর্তন করা।
১৩* ঈদুল ফিতরের তুলনায় আযহার নামায সকাল সকাল পড়া।
** যেখানে ঈদের নামায আদায় হবে সেখানে আগে পরে নফল নামায পরা ঠিক না।
:) কোরবানীর পশু জবেহ করা প্রসংগেঃ
• নিজ পশু নিজেই জবেহ করা উত্তম। না পারলে জবেহের সময় সামনে থাকা।
• পশুকে কিবলামুখী করে শুইয়ে জবেহ করা, জবাই কারীও কিবলাহ মুখী হওয়া।
• ধারালো ছুরি দ্বারা জবাই করা।
• জবাই করার পর পশুটি সম্পুর্ণ নিস্তেজ হওয়ার পর বাকী কাজ শুরু করা, আগে না।
• জবাই করার পুর্বে পানি খাওয়ানো বেশী পরিমাণে, প্রাণীকে ক্ষুধার্থ রাখা জুলুম।
• ঈদের নামাযের পুর্বে কোরবানী না করা।
• গোশত দিয়ে কোন পারিশ্রমিক দেয়া যায়েয নেই।
• গোশত তিন ভাগ করে ১. নিজে ২. আত্বীয়-স্বজন ৩. গরীব-মিসকীন দের দেয়া উত্তম।
:) পরিবেশগত সতর্কতাঃ
• আমাদের পরিবেশ ও চার-পাশ আমাদের পরিষ্কার রাখাই দায়িত্ব।
• অন্যের চলাচলে কষ্ট যাতে না হয় খেয়াল রাখা।
• জবেহ করার আগেই মাথার কাছে গর্ত করে নেওয়া, যাতে রক্ত ওখানে গরিয়ে যায়।
• সকল বজ্র ঐ গর্তে ফেলতে হবে, যাতে দুর্ঘন্ধ না ছড়ায়। আমার পশুর কোরবানীর বজ্রে যাতে অন্য কারো কষ্ট না হয়।
• ছুরি-চাপাতি ব্যবহারে সতর্ক হোন। বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন।
• চামড়া কাটতে দক্ষ ব্যক্তির সাহায্য নিন, অন্যথায় চামড়ার গুনগত মান নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
• ছুরি-চাকু জীবানু মুক্ত করে নিন।
• গোশত কাটতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করুন।
Monday, October 16, 2017
অন্তঃসত্বা অবস্থায় শাররীক মিলন উচিৎ-অনুচিৎ কতটা বিপদজনক?
কি কি কারনে গর্ভকালীন সময় যৌনমিলন থেকে বিরত থাকতে হবে?
কোন কারনে যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরন হলেঃ গর্ভকালীন সময়ে অল্প কিংবা বেশি রক্তক্ষরন পরিলক্ষিত হলে শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রাক প্রসব বেদনাঃ বীর্যের সংশ্চর্ষে প্রোস্টাগ্লেনডিনস্ সংকুচিত হবার সম্ভাবনা থাকে যা প্রাক-প্রসব-বেদনাকে ঝামেলাপূর্ণ করে তুলতে পারে।
আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার যৌন-সংক্রামন ব্যাধি থাকলে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে।
জরায়ুর গলদেশে সমস্যা থাকলেঃ যদি আপনার জরায়ুর মুখ অকালে খুলতে শুরু করে তাহলে শাররীক মিলন করলে রোগ সংক্রমনের সমুহ সম্ভাবনা থাকে।
গর্ভের ফুল/অমরা সমস্যায় থাকলেঃ যদি গর্ভের ফুল/অমরা জরায়ুমুখ আংশিক কিংবা সম্পুর্নরূপে ঢেকে ফেলে তাহলে শাররীক মিলনের ফলে রক্তপাত এবং প্রাক প্রসব বেদনা শুরু হয়ে যেতে পারে।
যদি আপনার ডাক্তার আপানাকে গর্ভকালীন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলে তাহলে খুজে বের করুন ডাক্তার কি বলতে চেয়েছে? ডাক্তার কি শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকতে বলেছে নাকি যৌন উত্তেজনা/তৃপ্তি থেকে বিরত থাকতে বলেছে? আর যদি ডাক্তার বারন করে তাহলে অবশ্যই জেনে নিবেন – কত সময়ের জন্য বারন করেছেন? উদাহরন স্বরূপঃ অনেক নারীর গর্ভধারনের প্রাথমিক ধাপে (প্রথম তিনমাস সময়ে) যদি অল্প পরিমান রক্তক্ষরন হয় তাহলে ডাক্তার বলেন শেষ বার রক্তক্ষরনের পর কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময়কাল মিলন/অন্যকোন ভাবে যৌন তৃপ্তি থেকে বিরত থাকেন।
গর্ভবতী অবস্থায় নারীর জন্য আরামদায়ক যৌন আসন ভঙ্গি সমুহঃ
গর্ভকালীন সময় অন্য সময় কালের মত আসন ভঙ্গিতে শাররীক মিলন করা যায়না। এটি মা এবং সন্তান উভয়ের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে। তাই এই সময়কালে যৌন আসন সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরী।
নারী উপরেঃ এ আসনে নারীর নিয়ন্ত্রন থাকে কত গভীরতায় লিঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হবে। এ পদ্ধতিতে বেশিরভাগ কার্যক্রম নারী নিজের ইচ্ছে/সুবিধা মত করতে পারেন। এই ভঙ্গিতে গর্ভের পুরো সময়কাল এমনকি শেষ সময়েও নারী অনেক কম ঝুকিতে থাকেন।
স্পুনিং / একপাশে কাত হয়ে শুয়ে মিলনঃ এ আসনে নারী হাটেু ভেঙ্গে পাশে কাত হয়ে শুবেন এবং স্বামী স্ত্রীর পিছেনে থেকে শাররীক মিলন করবেন। স্পুনিং ভাল ভাবে কাজ করে যদি পুরুষ নারীর ঊরূর মাঝে দিয়ে লিঙ্গ সঞ্চালন করেন। এ পদ্ধতিতে তলপেটে কোন চাপ পড়েনা এবং আস্তে আস্তে মিলন করার সুবিদা থাকে যা গর্ভবতীর জন্য জরুরী।
হাটু এবং হাতে ভরঃ এই ভঙ্গিটি দেখতে হামাগুড়ি দিয়ে হাটার সময় শরীরের যে রকম আকার হয় সেরকম। এই ভঙ্গিটিও গর্ভবতী নারীর জন্য ভাল – এতে পেটে কোন প্রকার চাপ পড়েনা।
অনেক বিবাহিত যুগল এই ভেবে উদ্বিগ্ন থাকেন যে – গর্ভবতী অবস্থায় শাররীক মিলন করলে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে, প্রধানতঃ গর্ভধারনের প্রথম তিন মাস সময়কালে। সাধারনত প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রুন নষ্ট হওয়া ক্রোমোজোম অস্বাভাবিকতা অথবা নিষিক্ত ডিম্বানু ভ্রুনে রূপান্তরিত হবার সময়কালে অন্যান্য সমস্যার সাথে সম্পর্কিত – শাররীক মিলনের ফলে ভ্রুন নষ্ট হবার ধারনাটি ভুল।












